
ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আঙিনায় গতকাল ১৬ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে আহমেদ হাসান সানি পরিচালিত নতুন সিনেমা ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। সিনেমাটি সাধারণ বাণিজ্যিক ছবির ধারা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এতে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছায়া স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এই সিনেমার গল্পের এক অনন্য কাঠামো রয়েছে, যেখানে একটি গল্পের ভেতর আরেকটি গল্প এবং তার মধ্যেও নতুন গল্প লুকিয়ে আছে। সাগরপাড়ের সাধারণ মানুষের মুখে ফুটে উঠেছে গভীর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ—একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, ভারতের ভূমিকা, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু ও মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক ইতিহাস। যদিও ছবির দ্বিতীয়ার্ধে সম্পাদনায় কিছুটা দুর্বলতা ও গতি কমে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তবুও দৃশ্যমালার সৌন্দর্য এবং সুরেলা আবহসংগীত দর্শকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সদ্য ঘটে যাওয়া আন্দোলন নিয়ে এমন সাহসী নির্মাণ আগের সরকারের আমলে হয়তো আলো দেখতে পেত না। তথ্যবহুল প্রথমার্ধ ও স্বপ্নবিলাসী গল্প বলার ধরণ এই সিনেমাকে প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে সফল করেছে। এই ছবির মাধ্যমে নির্মাতা প্রমাণ করেছেন যে, অন্যায্য ও রাজনৈতিক সত্য কথা তুলে ধরতে এখন আর ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
সম্পর্কিত খবর
টাকা না হলে ভোরে ওঠেন না প্রিয়াংকা, জানুন তার গোপন…
বিশ্বকাপে শাকিরার সঙ্গে যে তরুণ, ভাইরাল ছেলের চুমু
তিশা-সামিয়ার ‘চড়’ বিতর্কে সতর্ক বার্তা দিলো শিল্পী সংঘ
পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন তানহা তাসনিয়া ও স্বামী অভি
এক কথায় রাগ প্রকাশ অমিতাভর, কারণ নিয়ে জল্পনা
ছেলের ওপর হামলার ঘটনায় মুখ খুললেন মনিরা মিঠু

আরও পড়ুন

ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আঙিনায় গতকাল ১৬ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে আহমেদ হাসান সানি পরিচালিত নতুন সিনেমা ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। সিনেমাটি সাধারণ বাণিজ্যিক ছবির ধারা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এতে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছায়া স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এই সিনেমার গল্পের এক অনন্য কাঠামো রয়েছে, যেখানে একটি গল্পের ভেতর আরেকটি গল্প এবং তার মধ্যেও নতুন গল্প লুকিয়ে আছে। সাগরপাড়ের সাধারণ মানুষের মুখে ফুটে উঠেছে গভীর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ—একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, ভারতের ভূমিকা, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু ও মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক ইতিহাস। যদিও ছবির দ্বিতীয়ার্ধে সম্পাদনায় কিছুটা দুর্বলতা ও গতি কমে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তবুও দৃশ্যমালার সৌন্দর্য এবং সুরেলা আবহসংগীত দর্শকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সদ্য ঘটে যাওয়া আন্দোলন নিয়ে এমন সাহসী নির্মাণ আগের সরকারের আমলে হয়তো আলো দেখতে পেত না। তথ্যবহুল প্রথমার্ধ ও স্বপ্নবিলাসী গল্প বলার ধরণ এই সিনেমাকে প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে সফল করেছে। এই ছবির মাধ্যমে নির্মাতা প্রমাণ করেছেন যে, অন্যায্য ও রাজনৈতিক সত্য কথা তুলে ধরতে এখন আর ভয় পাওয়ার কিছু নেই।