
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যোগ করা সময়ে গোল পেল কানাডা
অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টের রাউন্ড অব ৩২ বা নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছে কানাডা। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না দুই দলের কারো কাছেই। এই চাপের মধ্যেই খেলার যোজক সময়ে গোলের দেখা পেয়ে ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে কানাডা।
এবারের আসরে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইতিহাস সৃষ্টির পথে তারা মাঠে নেমেছিল পূর্ণ শক্তি নিয়ে। দুই দলের শুরু থেকেই লড়াই ছিল কৌশলগত।
দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে গোলরক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন উইলিয়ামস। রক্ষণভাগে তাদের দায়িত্ব সামলেছেন মুদাউ, ওকোন ও বোকাজি। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন মোদিবা, সিথোলে, মোকোয়েনা এবং মাসেকো। অপরদিকে, কানাডা একাদশে গোলপোস্টে ছিলেন ক্রেপাউ। লারেয়া, কর্নেলিয়াস ও বোম্বিতোরা রক্ষণ সামলালেও মাঝমাঠে মিলার ও এস্তাকুইয়োরা খেলার গতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন।
ম্যাচের শেষ দিকে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। নির্ধারিত সময়ের শেষে বা যোগ করা সময়ে কানাডার খেলোয়াড়রা সফল হন এবং জালে বল পাঠিয়ে দলকে সামনে রাখেন। এই গোলটি মূলত খেলার ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
এমবাপ্পের মধ্যে নিজেকে দেখছেন রোনালদো, অবাক ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি
ডালাসে আফ্রিকা-ইউরোপ লড়াই, আইভরিকোস্ট-নরওয়ের নকআউট মিশন
নেইমার না থাকায় চ্যালেঞ্জের মুখে ব্রাজিল, মুখোমুখি জাপান
টাইব্রেকারে আর ভুল নয়, ক্রোয়েশিয়ার শেখা পাঠে নতুন ছক জাপান…
ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচে জাপানি ফরোয়ার্ডের চ্যালেঞ্জ: ‘নেইমার আর আগের মতো…
রোনালদোর ‘একগুঁয়ে’ খেলায় হতাশ ফোরলান, বললেন পর্তুগালের ক্ষতি করছেন তিনি

আরও পড়ুন

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যোগ করা সময়ে গোল পেল কানাডা
অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টের রাউন্ড অব ৩২ বা নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছে কানাডা। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না দুই দলের কারো কাছেই। এই চাপের মধ্যেই খেলার যোজক সময়ে গোলের দেখা পেয়ে ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে কানাডা।
এবারের আসরে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইতিহাস সৃষ্টির পথে তারা মাঠে নেমেছিল পূর্ণ শক্তি নিয়ে। দুই দলের শুরু থেকেই লড়াই ছিল কৌশলগত।
দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে গোলরক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন উইলিয়ামস। রক্ষণভাগে তাদের দায়িত্ব সামলেছেন মুদাউ, ওকোন ও বোকাজি। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন মোদিবা, সিথোলে, মোকোয়েনা এবং মাসেকো। অপরদিকে, কানাডা একাদশে গোলপোস্টে ছিলেন ক্রেপাউ। লারেয়া, কর্নেলিয়াস ও বোম্বিতোরা রক্ষণ সামলালেও মাঝমাঠে মিলার ও এস্তাকুইয়োরা খেলার গতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন।
ম্যাচের শেষ দিকে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। নির্ধারিত সময়ের শেষে বা যোগ করা সময়ে কানাডার খেলোয়াড়রা সফল হন এবং জালে বল পাঠিয়ে দলকে সামনে রাখেন। এই গোলটি মূলত খেলার ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
এমবাপ্পের মধ্যে নিজেকে দেখছেন রোনালদো, অবাক ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি
ডালাসে আফ্রিকা-ইউরোপ লড়াই, আইভরিকোস্ট-নরওয়ের নকআউট মিশন
টাইব্রেকারে আর ভুল নয়, ক্রোয়েশিয়ার শেখা পাঠে নতুন…
ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচে জাপানি ফরোয়ার্ডের চ্যালেঞ্জ: ‘নেইমার আর…
রোনালদোর ‘একগুঁয়ে’ খেলায় হতাশ ফোরলান, বললেন পর্তুগালের ক্ষতি…