
ইরানে স্থিতিশীলতা চায় চীন, পিছনে জ্বালানি ও মার্কিন বিরোধিতার হিসাব
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার ওপর জোর দিয়েছে চীন। বেইজিং এই মুহূর্তে সামরিক সংঘাত বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতেই তেহরানের স্থিতিশীলতায় মুখ্য ভূমিকা পালন করছে তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানি তেল আমদানির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের অর্থনীতি টিকিয়ে রেখেছে চীন। ফলে সেখানে যুদ্ধ বাড়লে তা সরাসরি জ্বালানির বাজারে প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে চরম অস্থিরতা তৈরি হলে তা বেইজিংয়ের নিজস্ব অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত শান্তি প্রতিষ্ঠাই তাদের মূল লক্ষ্য।
অর্থনীতির পাশাপাশি কূটনৈতিক কারণেও ইরানকে গুরুত্ব দেয় বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য কমিয়ে একটি বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে চীন। ওয়াশিংটনের প্রভাব মোকাবিলায় তেহরানকে তারা একটি শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে দেখে। তাই ইরানে কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলে যে বিশ্ব রায়ের সমীকরণ আমেরিকার পক্ষে চলে যেতে পারে, সে আশঙ্কায় রয়েছে বেইজিং।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানে স্থিতিশীলতা চায় চীন, পিছনে জ্বালানি ও মার্কিন বিরোধিতার হিসাব
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার ওপর জোর দিয়েছে চীন। বেইজিং এই মুহূর্তে সামরিক সংঘাত বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতেই তেহরানের স্থিতিশীলতায় মুখ্য ভূমিকা পালন করছে তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানি তেল আমদানির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের অর্থনীতি টিকিয়ে রেখেছে চীন। ফলে সেখানে যুদ্ধ বাড়লে তা সরাসরি জ্বালানির বাজারে প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে চরম অস্থিরতা তৈরি হলে তা বেইজিংয়ের নিজস্ব অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত শান্তি প্রতিষ্ঠাই তাদের মূল লক্ষ্য।
অর্থনীতির পাশাপাশি কূটনৈতিক কারণেও ইরানকে গুরুত্ব দেয় বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য কমিয়ে একটি বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে চীন। ওয়াশিংটনের প্রভাব মোকাবিলায় তেহরানকে তারা একটি শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে দেখে। তাই ইরানে কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলে যে বিশ্ব রায়ের সমীকরণ আমেরিকার পক্ষে চলে যেতে পারে, সে আশঙ্কায় রয়েছে বেইজিং।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…