
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা উড়ালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। গত বুধবার (৪ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ইরান বিষয়ক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি কানাডার জন্য একেবারে ‘অসম্ভব’ বলে গণ্য করা হচ্ছে না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জওয়াবে কার্নি বলেন, এই সংঘাতের ধরন অনেক বিস্তৃত এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা মিত্রদের পাশে দাঁড়াবে।
এর আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলেও অভিহিত করেছিলেন। তবে একইসঙ্গে তিনি মিত্র রাষ্ট্রগুলোর প্রতি সংহতি জানানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরাসরি যুদ্ধরত পক্ষগুলোর পাশাপাশি বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও এই উত্তেজনা কমানোর প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে।
শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন এবং সন্ত্রাস রপ্তানির সক্ষমতা পুরোপুরি বন্ধ করা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন মার্ক কার্নি। এছাড়া ছয় সদস্যের গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সংযম প্রশংসা করে তিনি এই অঞ্চলের দেশগুলোকেও উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
মাত্র ৪ দিনে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি

আরও পড়ুন

ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা উড়ালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। গত বুধবার (৪ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ইরান বিষয়ক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি কানাডার জন্য একেবারে ‘অসম্ভব’ বলে গণ্য করা হচ্ছে না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জওয়াবে কার্নি বলেন, এই সংঘাতের ধরন অনেক বিস্তৃত এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা মিত্রদের পাশে দাঁড়াবে।
এর আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলেও অভিহিত করেছিলেন। তবে একইসঙ্গে তিনি মিত্র রাষ্ট্রগুলোর প্রতি সংহতি জানানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরাসরি যুদ্ধরত পক্ষগুলোর পাশাপাশি বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও এই উত্তেজনা কমানোর প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে।
শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন এবং সন্ত্রাস রপ্তানির সক্ষমতা পুরোপুরি বন্ধ করা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন মার্ক কার্নি। এছাড়া ছয় সদস্যের গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সংযম প্রশংসা করে তিনি এই অঞ্চলের দেশগুলোকেও উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…
মাত্র ৪ দিনে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ২ বিলিয়ন…