
ওমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা: যুদ্ধের ঝুঁকি কমাতে তৎপরতা
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলোচনার টেবিলে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী সপ্তাহের শুরুতে ওমানে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে আলোচনার কাঠামো মজবুত করতে অন্য কোনো আঞ্চলিক শক্তিকে যুক্ত করতে চাইছে না তেহরান।
ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ওমানে এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের অভিমত, অতিরিক্ত পক্ষ অন্তর্ভুক্ত করলে আলোচনা মূল দরকষাকষি থেকে সরে গিয়ে কোনো রাজনৈতিক প্রদর্শনীতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই প্রথমে ওয়াশিংটনের সাথে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে চায় তারা। অবশ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে ভবিষ্যতে এই আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কয়েকটি দেশ।
এরই মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপের প্রস্তুতি হিসেবে বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত ৩০ জুন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইস্তাম্বুলে এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জাসিম আল থানি তেহরান সফর করেন। লারিজানি জানিয়েছেন, একটি কাঠামোবদ্ধ সমাধানের রূপরেখা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ওমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা: যুদ্ধের ঝুঁকি কমাতে তৎপরতা
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলোচনার টেবিলে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী সপ্তাহের শুরুতে ওমানে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে আলোচনার কাঠামো মজবুত করতে অন্য কোনো আঞ্চলিক শক্তিকে যুক্ত করতে চাইছে না তেহরান।
ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ওমানে এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের অভিমত, অতিরিক্ত পক্ষ অন্তর্ভুক্ত করলে আলোচনা মূল দরকষাকষি থেকে সরে গিয়ে কোনো রাজনৈতিক প্রদর্শনীতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই প্রথমে ওয়াশিংটনের সাথে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে চায় তারা। অবশ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে ভবিষ্যতে এই আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কয়েকটি দেশ।
এরই মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপের প্রস্তুতি হিসেবে বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। গত ৩০ জুন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইস্তাম্বুলে এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জাসিম আল থানি তেহরান সফর করেন। লারিজানি জানিয়েছেন, একটি কাঠামোবদ্ধ সমাধানের রূপরেখা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…