গাজা বোর্ডে কাতার-তুরস্ক, অজান্তেই রাখা হয়নি ইসরায়েলকে
যুদ্ধ-বিধ্বস্ত গাজার ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন ও শাসন ব্যবস্থা পরিচালনার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে গঠিত নতুন কমিটিতে কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তেল আবিবকে কোনো ধরনের তথ্য দেয়নি, যা তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত।
গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন তদারকির দায়িত্বে থাকা ‘বোর্ড অব পিস’ এবং ‘গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড’-এর সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ট্রাম্প নিজে। সাত সদস্যের প্রাথমিক কমিটিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, জ্যারেড কুশনার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা রয়েছেন। তবে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ডে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ও কাতারি কূটনীতিক আলি আল-থাওয়াদিকে রাখা নিয়ে, যারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের কঠোর সমালোচক।
মার্কিন একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে এই কমিটির গঠন সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি এবং তিনি তুরস্ক-কাতারের উপস্থিতি আশা করেননি। মার্কিন কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বর্তমানে গাজার দায়িত্ব তাদের কাঁধে এবং এটি এখন আর নেতানিয়াহুর নিয়ন্ত্রণে নেই।

