
বন্ডাইয়ের রক্তক্ষয়ী হামলায় বন্দুক ছিনতাই করে বীর হলেন আহমেদ
সিডনির বন্ডাই বিচে হানুক্কা উৎসবে চালানো ইহুদি-বিরোধী সন্ত্রাসী হামলার মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একজন বন্দুকধারীকে নিরস্ত্র করেন আহমেদ আল আহমেদ। গত ১৪ ডিসেম্বর ওই ঘটনায় ১৫ জন প্রাণ হারালেও এই সাহসী ফল বিক্রেতার দ্রুত পদক্ষেপের কারণে অনেকে প্রাণে বেঁচে যান। এ সময় তিনি হামলাকারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বন্দুক কেড়ে নেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সাজিদ আকরাম এবং তার ছেলে নাভিদ আকরাম এই ভয়াবহ হামলা চালায়। ঘটনার এক পর্যায়ে পার্ক করা গাড়ির আড়াল থেকে আহমেদ লাফিয়ে পড়েন এবং সরাসরি বন্দুকধারীর ওপর আক্রমণ চালান। এই সংঘর্ষে তার কাঁধে একাধিকবার গুলি লাগে এবং তাকে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল হামলাকারীকে থামানো এবং নিরপরাধ মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আহমেদ বলেন, তিনি যখন হামলাকারীকে জাপটে ধরেন তখন তাকে বলেছিলেন, ‘তোমার বন্দুক ফেলে দাও, তুমি যা করছো তা বন্ধ করো’। অনেক মানুষকে বাঁচানোর কৃতিত্ব থাকলেও নিহতদের জন্য তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তার এই অসাধারণ বীরত্বের কথা স্মরণ করে সবাই তাকে একজন প্রকৃত নায়ক হিসেবে অভিহিত করছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

বন্ডাইয়ের রক্তক্ষয়ী হামলায় বন্দুক ছিনতাই করে বীর হলেন আহমেদ
সিডনির বন্ডাই বিচে হানুক্কা উৎসবে চালানো ইহুদি-বিরোধী সন্ত্রাসী হামলার মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একজন বন্দুকধারীকে নিরস্ত্র করেন আহমেদ আল আহমেদ। গত ১৪ ডিসেম্বর ওই ঘটনায় ১৫ জন প্রাণ হারালেও এই সাহসী ফল বিক্রেতার দ্রুত পদক্ষেপের কারণে অনেকে প্রাণে বেঁচে যান। এ সময় তিনি হামলাকারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বন্দুক কেড়ে নেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সাজিদ আকরাম এবং তার ছেলে নাভিদ আকরাম এই ভয়াবহ হামলা চালায়। ঘটনার এক পর্যায়ে পার্ক করা গাড়ির আড়াল থেকে আহমেদ লাফিয়ে পড়েন এবং সরাসরি বন্দুকধারীর ওপর আক্রমণ চালান। এই সংঘর্ষে তার কাঁধে একাধিকবার গুলি লাগে এবং তাকে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল হামলাকারীকে থামানো এবং নিরপরাধ মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আহমেদ বলেন, তিনি যখন হামলাকারীকে জাপটে ধরেন তখন তাকে বলেছিলেন, ‘তোমার বন্দুক ফেলে দাও, তুমি যা করছো তা বন্ধ করো’। অনেক মানুষকে বাঁচানোর কৃতিত্ব থাকলেও নিহতদের জন্য তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তার এই অসাধারণ বীরত্বের কথা স্মরণ করে সবাই তাকে একজন প্রকৃত নায়ক হিসেবে অভিহিত করছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…