
ইরানে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ নয়, সুযোগ নিতে বললেন হেগসেথ
পেন্টাগনের বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান কখনো ইরাকের মতো দীর্ঘমেয়াদী রূপ নেবে না। সোমবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটন তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের পর অভিযান শেষ করবে এবং ইরানের জনগণের জন্য এটি একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করবে।
‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে হেগসেথ বলেন, এটি একদিনে শেষ হওয়ার মতো নয় কারণ ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেক বেশি। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, উৎপাদন কারখানা এবং নৌ-সম্পদ ধ্বংস করা। একই সাথে তিনি ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
বর্তমানে ইরানের মাটিতে কোনো মার্কিন সেনা নেই বলেও জানান তিনি। তবে প্রয়োজনে ভবিষ্যতে সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করে তিনি বলেন, মার্কিন নাগরিকদের হত্যার পেছনে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে হত্যা করা হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্তার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি ইরানি জনগণকে এই সময়টা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ নয়, সুযোগ নিতে বললেন হেগসেথ
পেন্টাগনের বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান কখনো ইরাকের মতো দীর্ঘমেয়াদী রূপ নেবে না। সোমবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটন তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের পর অভিযান শেষ করবে এবং ইরানের জনগণের জন্য এটি একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করবে।
‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে হেগসেথ বলেন, এটি একদিনে শেষ হওয়ার মতো নয় কারণ ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেক বেশি। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, উৎপাদন কারখানা এবং নৌ-সম্পদ ধ্বংস করা। একই সাথে তিনি ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
বর্তমানে ইরানের মাটিতে কোনো মার্কিন সেনা নেই বলেও জানান তিনি। তবে প্রয়োজনে ভবিষ্যতে সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করে তিনি বলেন, মার্কিন নাগরিকদের হত্যার পেছনে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে হত্যা করা হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্তার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি ইরানি জনগণকে এই সময়টা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…