
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযানে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য
ইরানের মিসাইল ব্যবস্থায় হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। সোমবার এক ভিডিও বার্তায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ কথা জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিলেও পরোক্ষভাবে মিত্রদের সহায়তা দেওয়া হবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের হামলা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল। তিনি বলেন, ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো বর্তমানে আকাশে টহল দিয়ে ইরানের বেশ কয়েকটি হামলা সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। এই হুমকি পুরোপুরি বন্ধ করার একমাত্র পথ হলো মিসাইলগুলোকে উৎসেই ধ্বংস করে দেওয়া।
স্টারমার অবশ্য এ বিষয়েও সতর্ক করেছেন যে, এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা। তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো ইরানকে থামানো, যেন তারা পুরো অঞ্চলে মিসাইল ছুড়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করতে না পারে এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে। সংঘাতের সাথে জড়িত নয় এমন দেশগুলোর ওপর হামলা রোধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযানে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য
ইরানের মিসাইল ব্যবস্থায় হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। সোমবার এক ভিডিও বার্তায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ কথা জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিলেও পরোক্ষভাবে মিত্রদের সহায়তা দেওয়া হবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের হামলা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল। তিনি বলেন, ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো বর্তমানে আকাশে টহল দিয়ে ইরানের বেশ কয়েকটি হামলা সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। এই হুমকি পুরোপুরি বন্ধ করার একমাত্র পথ হলো মিসাইলগুলোকে উৎসেই ধ্বংস করে দেওয়া।
স্টারমার অবশ্য এ বিষয়েও সতর্ক করেছেন যে, এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা। তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো ইরানকে থামানো, যেন তারা পুরো অঞ্চলে মিসাইল ছুড়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করতে না পারে এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে। সংঘাতের সাথে জড়িত নয় এমন দেশগুলোর ওপর হামলা রোধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…