মধ্যপ্রাচ্য সংকাতে যুক্তরাজ্য, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি দিলেন স্টারমার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সরাসরি সমর্থন দিল যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলা চালাতে ওয়াশিংটনকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
স্টারমার জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে টহল দিয়ে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যুক্তরাজ্য সরাসরি কোনো হামলায় অংশ নিচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষামূলক কারণে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল, যা লন্ডন গ্রহণ করেছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই হুমকি মোকাবেলায় ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসেই ধ্বংস করা প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, ইরান যেন নিরীহ মানুষ হত্যা করতে না পারে এবং সংঘাতের বাইরের দেশগুলোতে হামলা চালাতে না পারে, সেজন্যই তারা এই অনুমতি দিয়েছেন। এর ফলে ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং অঞ্চলের শান্তি রক্ষায় জোরালো ভূমিকা পালন করবে তারা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্য সংকাতে যুক্তরাজ্য, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি দিলেন স্টারমার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সরাসরি সমর্থন দিল যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলা চালাতে ওয়াশিংটনকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
স্টারমার জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে টহল দিয়ে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যুক্তরাজ্য সরাসরি কোনো হামলায় অংশ নিচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন নির্দিষ্ট ও সীমিত প্রতিরক্ষামূলক কারণে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল, যা লন্ডন গ্রহণ করেছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই হুমকি মোকাবেলায় ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসেই ধ্বংস করা প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, ইরান যেন নিরীহ মানুষ হত্যা করতে না পারে এবং সংঘাতের বাইরের দেশগুলোতে হামলা চালাতে না পারে, সেজন্যই তারা এই অনুমতি দিয়েছেন। এর ফলে ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং অঞ্চলের শান্তি রক্ষায় জোরালো ভূমিকা পালন করবে তারা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…