মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুললে পরমাণু নিয়ে আলোচনায় তেহরানের ইঙ্গিত
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানছি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হয়, তবে তেহরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে নতুন করে সমঝোতায় আসতে প্রস্তুত। দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে দেশটির এই নমনীয় অবস্থানকে বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটনের আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি যে চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সে কথা তুলে ধরে এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে তা দুই পক্ষের জন্যই ‘উইন-উইন’ বা লাভজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি টেকসই এবং সম্মানজনক চুক্তির মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক স্বার্থের আইনি নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে ইরানের এই প্রস্তাব বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের আগের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির বিপরীতে তেহরানের এই বার্তা আলোচনার একটি নতুন পথ তৈরি করেছে। বর্তমানে সারা বিশ্ব নজর রাখছে, পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে ওয়াশিংটন এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাবে কেমন সাড়া দেয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুললে পরমাণু নিয়ে আলোচনায় তেহরানের ইঙ্গিত
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানছি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হয়, তবে তেহরান পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে নতুন করে সমঝোতায় আসতে প্রস্তুত। দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে দেশটির এই নমনীয় অবস্থানকে বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটনের আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি যে চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সে কথা তুলে ধরে এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে তা দুই পক্ষের জন্যই ‘উইন-উইন’ বা লাভজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি টেকসই এবং সম্মানজনক চুক্তির মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক স্বার্থের আইনি নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে ইরানের এই প্রস্তাব বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের আগের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির বিপরীতে তেহরানের এই বার্তা আলোচনার একটি নতুন পথ তৈরি করেছে। বর্তমানে সারা বিশ্ব নজর রাখছে, পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে ওয়াশিংটন এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাবে কেমন সাড়া দেয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…