ব্যাঙের বিষে নাভালনিকে হত্যা, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ৫ দেশের অভিযোগ
রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনিকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে ইউরোপের পাঁচটি দেশ। যৌথ গোয়েন্দা তদন্তের ভিত্তিতে এই দেশগুলো দাবি করেছে, সাইবেরিয়ার কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় দক্ষিণ আমেরিকার এক প্রজাতির ব্যাঙের বিষ প্রয়োগ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন ও নেদারল্যান্ডসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে সরাসরি রুশ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা জড়িত ছিল।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইকুয়েডরের ডার্ট ফ্রগের ত্বক থেকে সংগৃহীত মারাত্মক বিষ ‘এপিবাটিডিন’ নাভালনির শরীরের নমুনায় পাওয়া গেছে। তারা জানিয়েছে, ওই কারাগারে তাকে হত্যা করার সুযোগ ও সক্ষমতা কেবল রুশ কর্তৃপক্ষেরই ছিল। তবে এই যৌথ অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো গোয়েন্দা সংস্থা অংশ নেয়নি বলে জানা গেছে।

যুক্তরাজ্য এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘বর্বর’ লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। তাদের অভিযোগ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (সিডব্লিউসি) অমান্য করেছে মস্কো। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার (ওপিসিডব্লিউ) কাছে অভিযোগ জমা দেওয়া হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ব্যাঙের বিষে নাভালনিকে হত্যা, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ৫ দেশের অভিযোগ
রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনিকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে ইউরোপের পাঁচটি দেশ। যৌথ গোয়েন্দা তদন্তের ভিত্তিতে এই দেশগুলো দাবি করেছে, সাইবেরিয়ার কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় দক্ষিণ আমেরিকার এক প্রজাতির ব্যাঙের বিষ প্রয়োগ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন ও নেদারল্যান্ডসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে সরাসরি রুশ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা জড়িত ছিল।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইকুয়েডরের ডার্ট ফ্রগের ত্বক থেকে সংগৃহীত মারাত্মক বিষ ‘এপিবাটিডিন’ নাভালনির শরীরের নমুনায় পাওয়া গেছে। তারা জানিয়েছে, ওই কারাগারে তাকে হত্যা করার সুযোগ ও সক্ষমতা কেবল রুশ কর্তৃপক্ষেরই ছিল। তবে এই যৌথ অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো গোয়েন্দা সংস্থা অংশ নেয়নি বলে জানা গেছে।

যুক্তরাজ্য এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘বর্বর’ লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। তাদের অভিযোগ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (সিডব্লিউসি) অমান্য করেছে মস্কো। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার (ওপিসিডব্লিউ) কাছে অভিযোগ জমা দেওয়া হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…