এনসিপির বিপর্যয়: রাজপথের শক্তি ব্যর্থ হলো ভোটে, তরুণদের ক্ষোভ
বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে যুবনির্ভর দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ব্যাপক ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসা এই দলটি ৩০০ আসনের সংসদে মাত্র ছয়টি আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি, যারা সবশেষ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল, এবার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপির এই হতাশাজনক ফলাফলের অন্যতম কারণ হলো জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠন। শুরুতে প্রায় সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিকল্পনা থাকলেও ঢাকায় আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক সমর্থনের প্রয়োজনে তারা এই জোটে যায় এবং মাত্র ৩০টি আসনে প্রার্থী দেয়। এছাড়া নির্বাচনের আগে সংক্ষিপ্ত সময়ে শক্তিশালী জনভিত্তি গড়ে তুলতে না পারাও তাদের পরাজয়ের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জামায়াতের সাথে এই জোট দলটির নিজস্ব সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সোহানুর রহমানের মতে, ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর জনগণের যে প্রত্যাশা ছিল, এনসিপি তা পূরণ করতে পারেনি। ২৩ বছর বয়সী এই তরুণ ভোটার মনে করেন, জামায়াতের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্তটি ছিল এক ধরণের বিশ্বাসঘাতকতা, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
এনসিপির বিপর্যয়: রাজপথের শক্তি ব্যর্থ হলো ভোটে, তরুণদের ক্ষোভ
বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে যুবনির্ভর দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ব্যাপক ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসা এই দলটি ৩০০ আসনের সংসদে মাত্র ছয়টি আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি, যারা সবশেষ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল, এবার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপির এই হতাশাজনক ফলাফলের অন্যতম কারণ হলো জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠন। শুরুতে প্রায় সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিকল্পনা থাকলেও ঢাকায় আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক সমর্থনের প্রয়োজনে তারা এই জোটে যায় এবং মাত্র ৩০টি আসনে প্রার্থী দেয়। এছাড়া নির্বাচনের আগে সংক্ষিপ্ত সময়ে শক্তিশালী জনভিত্তি গড়ে তুলতে না পারাও তাদের পরাজয়ের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জামায়াতের সাথে এই জোট দলটির নিজস্ব সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সোহানুর রহমানের মতে, ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর জনগণের যে প্রত্যাশা ছিল, এনসিপি তা পূরণ করতে পারেনি। ২৩ বছর বয়সী এই তরুণ ভোটার মনে করেন, জামায়াতের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্তটি ছিল এক ধরণের বিশ্বাসঘাতকতা, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…