মিউনিখে রুবিওর আহ্বান, সভ্যতা রক্ষায় ইউরোপকে সঙ্গে চায় যুক্তরাষ্ট্র
জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রান্সআটলান্টিক জোট পুনর্গঠনের তাগিদ দিয়েছেন। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বক্তব্য রাখার সময় তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে আশ্বস্ত করেন যে, ওয়াশিংটন একটি সবল ইউরোপের সাথে মিলে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী।
শুরুতেই রুবিও জানান, আমেরিকা বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে চায় না বরং পুরনো বন্ধুত্ব নবায়ন করতে চায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড ইস্যু ও মিত্রদের নিয়ে কটাক্ষের পর যে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে তিনি পশ্চিমা সভ্যতার ঐতিহ্য রক্ষায় একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়া ব্যাপক অভিবাসনকে পশ্চিমা সমাজের জন্য বিরাট হুমকি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

সম্মেলনে রুবিও যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত সাংস্কৃতিক নীতি এড়িয়ে চলেছেন। তবে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস মনে করেন, ওয়াশিংটনের পদক্ষেপের কারণেই দুই পক্ষের মধ্যে ফাটল ধরেছে। তবুও ওয়াশিংটন আশা করছে, সাধারণ স্বার্থে ইউরোপ তাদের এই সংস্কার মিশনে পাশে থাকবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মিউনিখে রুবিওর আহ্বান, সভ্যতা রক্ষায় ইউরোপকে সঙ্গে চায় যুক্তরাষ্ট্র
জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রান্সআটলান্টিক জোট পুনর্গঠনের তাগিদ দিয়েছেন। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বক্তব্য রাখার সময় তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোকে আশ্বস্ত করেন যে, ওয়াশিংটন একটি সবল ইউরোপের সাথে মিলে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী।
শুরুতেই রুবিও জানান, আমেরিকা বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে চায় না বরং পুরনো বন্ধুত্ব নবায়ন করতে চায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড ইস্যু ও মিত্রদের নিয়ে কটাক্ষের পর যে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে তিনি পশ্চিমা সভ্যতার ঐতিহ্য রক্ষায় একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়া ব্যাপক অভিবাসনকে পশ্চিমা সমাজের জন্য বিরাট হুমকি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

সম্মেলনে রুবিও যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত সাংস্কৃতিক নীতি এড়িয়ে চলেছেন। তবে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস মনে করেন, ওয়াশিংটনের পদক্ষেপের কারণেই দুই পক্ষের মধ্যে ফাটল ধরেছে। তবুও ওয়াশিংটন আশা করছে, সাধারণ স্বার্থে ইউরোপ তাদের এই সংস্কার মিশনে পাশে থাকবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…