আসামের মহাসড়কে মোদীর বিমান, যুদ্ধকালীন সামরিক সক্ষমতা যাচাই
দুর্যোগ বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাস্তাকে বিমানবন্দর হিসেবে ব্যবহারের সক্ষমতা যাচাই করতে শনিবার আসামের ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কে অবতরণ করেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বহনকারী বিমানটি। একটি বিশেষ সি-১৩০জে মডেলের বিমানের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়, যা কোনো প্রকার দুর্ঘটনা নয় বরং আগাম পরিকল্পিত সামরিক মহড়ার অংশ বলে জানা গেছে।
প্রায় ১০০ কোটি রুপি ব্যয়ে মোরান বাইপাসে নির্মিত এই ৪ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি ‘ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি’ বা ইএলএফ হিসেবে পরিচিত। এই শক্তিশালী রাস্তাটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে জরুরি মুহূর্তে দিঘরুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবে এখানে ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন ওজনের পরিবহন বিমান নিরাপদে অবতরণ করতে পারে।

সামরিক ও বেসামরিক ব্যবহারের জন্য তৈরি এই সুবিধাটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বার্মারে ভারতের প্রথম ইএলএফ চালু হয়েছিল। অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তেজস, সুখোই ও রাফালের অংশগ্রহণে আকাশ যুদ্ধের মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার কাজে এর গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
আসামের মহাসড়কে মোদীর বিমান, যুদ্ধকালীন সামরিক সক্ষমতা যাচাই
দুর্যোগ বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাস্তাকে বিমানবন্দর হিসেবে ব্যবহারের সক্ষমতা যাচাই করতে শনিবার আসামের ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কে অবতরণ করেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বহনকারী বিমানটি। একটি বিশেষ সি-১৩০জে মডেলের বিমানের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়, যা কোনো প্রকার দুর্ঘটনা নয় বরং আগাম পরিকল্পিত সামরিক মহড়ার অংশ বলে জানা গেছে।
প্রায় ১০০ কোটি রুপি ব্যয়ে মোরান বাইপাসে নির্মিত এই ৪ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি ‘ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি’ বা ইএলএফ হিসেবে পরিচিত। এই শক্তিশালী রাস্তাটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে জরুরি মুহূর্তে দিঘরুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবে এখানে ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন ওজনের পরিবহন বিমান নিরাপদে অবতরণ করতে পারে।

সামরিক ও বেসামরিক ব্যবহারের জন্য তৈরি এই সুবিধাটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বার্মারে ভারতের প্রথম ইএলএফ চালু হয়েছিল। অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তেজস, সুখোই ও রাফালের অংশগ্রহণে আকাশ যুদ্ধের মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার কাজে এর গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…