মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ: ইরানে বিশাল অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী এবং বৃহৎ পরিসরের সামরিক অভিযানের জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত সম্মতি দেন, তবে এটি দুই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতে পরিণত হতে পারে। প্রস্তাবিত এই অভিযানকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের বিকল্প বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনে কঠোর সিদ্ধান্ত নেবে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের পরিকল্পনা গত বছরের সুনির্দিষ্ট অভিযানের চেয়ে অনেক ব্যাপক, যার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো। তবে ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কারণে এই অভিযান মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এদিকে, সম্ভাব্য আগ্রাসনের জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে যেকোনো হামলা হলে জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে। সম্প্রতি উত্তর ক্যারোলাইনায় এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও বলেছেন, ইরানের সাথে চুক্তি করা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কখনও কখনও শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ: ইরানে বিশাল অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী এবং বৃহৎ পরিসরের সামরিক অভিযানের জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত সম্মতি দেন, তবে এটি দুই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতে পরিণত হতে পারে। প্রস্তাবিত এই অভিযানকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের বিকল্প বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনে কঠোর সিদ্ধান্ত নেবে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের পরিকল্পনা গত বছরের সুনির্দিষ্ট অভিযানের চেয়ে অনেক ব্যাপক, যার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো। তবে ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কারণে এই অভিযান মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এদিকে, সম্ভাব্য আগ্রাসনের জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে যেকোনো হামলা হলে জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে। সম্প্রতি উত্তর ক্যারোলাইনায় এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও বলেছেন, ইরানের সাথে চুক্তি করা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কখনও কখনও শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…