মালয়েশিয়ায় অবৈধ ক্লিনিকে হানা, ভুয়া ডাক্তারসহ গ্রেফতার ১৮
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগে ৬ জন ভুয়া চিকিৎসকসহ মোট ১৮ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুডু এলাকার জালান তুন তান সিউ সিনে দুই সপ্তাহের গোপন নজরদারির পর এই অভিযান পরিচালনা করে জেআইএমের গোয়েন্দা শাখা। এ সময় সেখান থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনহীন বিপুল পরিমাণ ওষুধও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। দোকানের সামনের অংশে ছিল নিত্যপণ্য বা সেলুনের সাইনবোর্ড, আর পেছনের অংশে গোপনে তৈরি করা হয়েছিল চিকিৎসা কক্ষ এবং ওষুধ সংরক্ষণাগার। অভিযানে জব্দ করা ওষুধের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের ওষুধ ছাড়াও বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক এবং ব্যথানাশক ছিল, যা সাধারণত প্রেসক্রিপশন ছাড়া সরবরাহ করা নিষিদ্ধ।

ইমিগ্রেশনের উপমহাপরিচালক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটক ১৮ জনের মধ্যে ১৭ জন বাংলাদেশি ও একজন মিয়ানমারের নাগরিক। তাদের বয়স ২৪ থেকে ৫১ বছরের মধ্যে। তদন্তে দেখা গেছে, বাংলাদেশ থেকে আসা পর্যটকদের মাধ্যমে এসব ওষুধ বড় পরিমাণে মালয়েশিয়ায় আনা হতো এবং সেগুলো ৫০ থেকে ১০০ রিঙ্গিত মূল্যে বিক্রি করা হতো। চিকিৎসার খরচ কম হওয়ায় প্রধানত বাংলাদেশি অভিবাসীরা এসব স্থানে চিকিৎসা নিতে আসতেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ায় অবৈধ ক্লিনিকে হানা, ভুয়া ডাক্তারসহ গ্রেফতার ১৮
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবৈধভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগে ৬ জন ভুয়া চিকিৎসকসহ মোট ১৮ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুডু এলাকার জালান তুন তান সিউ সিনে দুই সপ্তাহের গোপন নজরদারির পর এই অভিযান পরিচালনা করে জেআইএমের গোয়েন্দা শাখা। এ সময় সেখান থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনহীন বিপুল পরিমাণ ওষুধও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। দোকানের সামনের অংশে ছিল নিত্যপণ্য বা সেলুনের সাইনবোর্ড, আর পেছনের অংশে গোপনে তৈরি করা হয়েছিল চিকিৎসা কক্ষ এবং ওষুধ সংরক্ষণাগার। অভিযানে জব্দ করা ওষুধের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের ওষুধ ছাড়াও বিপুল পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক এবং ব্যথানাশক ছিল, যা সাধারণত প্রেসক্রিপশন ছাড়া সরবরাহ করা নিষিদ্ধ।

ইমিগ্রেশনের উপমহাপরিচালক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটক ১৮ জনের মধ্যে ১৭ জন বাংলাদেশি ও একজন মিয়ানমারের নাগরিক। তাদের বয়স ২৪ থেকে ৫১ বছরের মধ্যে। তদন্তে দেখা গেছে, বাংলাদেশ থেকে আসা পর্যটকদের মাধ্যমে এসব ওষুধ বড় পরিমাণে মালয়েশিয়ায় আনা হতো এবং সেগুলো ৫০ থেকে ১০০ রিঙ্গিত মূল্যে বিক্রি করা হতো। চিকিৎসার খরচ কম হওয়ায় প্রধানত বাংলাদেশি অভিবাসীরা এসব স্থানে চিকিৎসা নিতে আসতেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…