ট্রাম্পের বড় ইঙ্গিত, ইরানে সরকার বদল ও মধ্যপ্রাচ্যে সেনা বৃদ্ধি
ইরানে বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তনই সংকট সমাধানের সেরা উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, গত ৪৭ বছর ধরে শুধুই আলোচনা চলছে যার ফলে অনেক প্রাণহানি হয়েছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেও ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে যাচ্ছে এবং খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ ওই অঞ্চলে পাঠানো হবে।
তেহরানের বর্তমান নেতৃত্বের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোনো নাম উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প বলেছেন, সেখানে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো মানুষ রয়েছেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, পারমাণবিক চুক্তি না হলে ইরানের ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তবে যুদ্ধ এড়াতে তেহরানকে দ্রুত ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীর সমর্থন বন্ধ চায়। এর জবাবে ইরান জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে প্রস্তুত কিন্তু অতিরিক্ত দাবির কাছে মাথা নত করবে না। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মেয়াদে ওবামা প্রশাসনের পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করা হয়েছিল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ট্রাম্পের বড় ইঙ্গিত, ইরানে সরকার বদল ও মধ্যপ্রাচ্যে সেনা বৃদ্ধি
ইরানে বর্তমান শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তনই সংকট সমাধানের সেরা উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, গত ৪৭ বছর ধরে শুধুই আলোচনা চলছে যার ফলে অনেক প্রাণহানি হয়েছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেও ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে যাচ্ছে এবং খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ ওই অঞ্চলে পাঠানো হবে।
তেহরানের বর্তমান নেতৃত্বের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোনো নাম উল্লেখ না করলেও ট্রাম্প বলেছেন, সেখানে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো মানুষ রয়েছেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, পারমাণবিক চুক্তি না হলে ইরানের ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তবে যুদ্ধ এড়াতে তেহরানকে দ্রুত ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীর সমর্থন বন্ধ চায়। এর জবাবে ইরান জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে প্রস্তুত কিন্তু অতিরিক্ত দাবির কাছে মাথা নত করবে না। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মেয়াদে ওবামা প্রশাসনের পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করা হয়েছিল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…