নীল নদে ফেরি ডুবির করুণ পরিণতি: নারী-শিশুসহ নিহত ২১
উত্তর সুদানের নীল নদে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় টাইবা আল-খাওয়াদ এবং ডেইম আল-কারাই গ্রামের মাঝখানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফেরিতে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রীর মধ্যে এখনও অন্তত ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে সিভিল ডিফেন্স বাহিনী। উদ্ধার কাজে গতি আনতে খার্তুম থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক পুলিশ মেজর জেনারেল কুরাশি হুসেইন জানান, এই ঘটনায় ছয় থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও নদীতে ডুবে যাওয়া ফেরিটি এবং নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে তৎপর অনুসন্ধান। দুর্ঘটনার কারণ নিশ্চিত হওয়া না গেলেও স্থানীয় সুদান ডাক্তার নেটওয়ার্ক একে নদী পরিবহনের চরম দুর্বলতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপ্রতুলতার বলি বলে মনে করছে। নিহতদের মধ্যে বেশ কিছু নারী ও শিশু রয়েছে, যা এলাকায় শোকের ছায়া নিয়ে এসেছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর মতোই সুদানেও নদী পথে দুর্ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০১৮ সালে নীল নদে একটি ফেরি ডুবে যায়, যেখানে ২৩ জন প্রাণ হারান। ওই দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ হতাহত হয়েছিল স্কুলগামী শিশু। এই পুনরাবৃত্তি মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং নৌ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কঠোর পদক্ষেপের দাবি জোরালো হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
নীল নদে ফেরি ডুবির করুণ পরিণতি: নারী-শিশুসহ নিহত ২১
উত্তর সুদানের নীল নদে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় টাইবা আল-খাওয়াদ এবং ডেইম আল-কারাই গ্রামের মাঝখানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফেরিতে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রীর মধ্যে এখনও অন্তত ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে সিভিল ডিফেন্স বাহিনী। উদ্ধার কাজে গতি আনতে খার্তুম থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক পুলিশ মেজর জেনারেল কুরাশি হুসেইন জানান, এই ঘটনায় ছয় থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও নদীতে ডুবে যাওয়া ফেরিটি এবং নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে তৎপর অনুসন্ধান। দুর্ঘটনার কারণ নিশ্চিত হওয়া না গেলেও স্থানীয় সুদান ডাক্তার নেটওয়ার্ক একে নদী পরিবহনের চরম দুর্বলতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপ্রতুলতার বলি বলে মনে করছে। নিহতদের মধ্যে বেশ কিছু নারী ও শিশু রয়েছে, যা এলাকায় শোকের ছায়া নিয়ে এসেছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর মতোই সুদানেও নদী পথে দুর্ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০১৮ সালে নীল নদে একটি ফেরি ডুবে যায়, যেখানে ২৩ জন প্রাণ হারান। ওই দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ হতাহত হয়েছিল স্কুলগামী শিশু। এই পুনরাবৃত্তি মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং নৌ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কঠোর পদক্ষেপের দাবি জোরালো হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…