চড়াই-পড়তির মধ্য দিয়ে আদানির সম্পদ, এখন দাঁড়াল ৫৬ বিলিয়নে
ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের এবং আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা গৌতম আদানি দেশটির অবকাঠামো, শক্তি ও রপ্তানি খাতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। ক্ষুদ্র একটি ব্যবসার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও তিনি আজ বন্দর, বিমানবন্দর, লজিস্টিকস এবং নবায়নযোগ্য শক্তিসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ খাতের নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তার এই কর্পোরেট সাম্রাজ্য মুখ্য ভূমিকা পালন করছে।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ কর্মজীবনে গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ বারংবার উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০০৮ সালে তার মোট সম্পদের মূল্যমান ছিল মাত্র ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরপর ধারাবাহিকভাবে এই সম্পদ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২১ সালে দাঁড়ায় ৫০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে। এর ঠিক এক বছর পর অর্থাৎ ২০২২ সালে তা ছুঁয়ে যায় রেকর্ড ৯০ বিলিয়ন ডলার, যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ অর্জন।

তবে এই ঊর্ধ্বগতি স্থায়ী হয়নি। ২০২৩ সালে তার সম্পদের পরিমাণ কমে ৪৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ফের ঘুরে দাঁড়িয়ে তা বেড়ে হয় ৮৪ বিলিয়ন ডলার। সর্বশেষ ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, এই শিল্পপতির বর্তমান সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
চড়াই-পড়তির মধ্য দিয়ে আদানির সম্পদ, এখন দাঁড়াল ৫৬ বিলিয়নে
ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের এবং আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা গৌতম আদানি দেশটির অবকাঠামো, শক্তি ও রপ্তানি খাতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। ক্ষুদ্র একটি ব্যবসার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও তিনি আজ বন্দর, বিমানবন্দর, লজিস্টিকস এবং নবায়নযোগ্য শক্তিসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ খাতের নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত। ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তার এই কর্পোরেট সাম্রাজ্য মুখ্য ভূমিকা পালন করছে।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ কর্মজীবনে গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ বারংবার উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০০৮ সালে তার মোট সম্পদের মূল্যমান ছিল মাত্র ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরপর ধারাবাহিকভাবে এই সম্পদ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২১ সালে দাঁড়ায় ৫০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে। এর ঠিক এক বছর পর অর্থাৎ ২০২২ সালে তা ছুঁয়ে যায় রেকর্ড ৯০ বিলিয়ন ডলার, যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ অর্জন।

তবে এই ঊর্ধ্বগতি স্থায়ী হয়নি। ২০২৩ সালে তার সম্পদের পরিমাণ কমে ৪৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ফের ঘুরে দাঁড়িয়ে তা বেড়ে হয় ৮৪ বিলিয়ন ডলার। সর্বশেষ ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, এই শিল্পপতির বর্তমান সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…