লোকসভায় রাহুলের তোপ, আমেরিকার সাথে চুক্তিতে দেশকে বিক্রির অভিযোগ
কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বুধবার লোকসভায় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি সই হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে কেন্দ্র করে তিনি অভিযোগ করেন, এই একতরফা চুক্তির মাধ্যমে মোদি সরকার ভারত মাতাকে বিক্রি করে দিয়েছে। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি প্রশ্ন রাখেন, দেশকে বিক্রি করতে গিয়ে সরকারের মধ্যে কোনো লজ্জাবোধ কাজ করছে কিনা।
রাহুল গান্ধী এই চুক্তিকে জাতীয় স্বার্থে এক ধরনের ‘পাইকারি আত্মসমর্পণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এর ফলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন আমেরিকার হাতে চলে গেছে, অর্থাৎ ভারত কার কাছ থেকে তেল কিনবে তা এখন ওয়াশিংটনই ঠিক করবে। এছাড়াও তিনি সতর্ক করে দেন যে, মার্কিন কৃষিপণ্যে ভারতীয় বাজার ভরে গেলে দেশের কৃষকরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন এবং বস্ত্রশিল্প ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ‘যুদ্ধের যুগ শেষ’ বক্তব্যের বিপরীতে রাহুল জানান, বিশ্ব আজ আবারও যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় থাকলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সমান মর্যাদায় আলোচনা করা হতো এবং ভারতের খাদ্য, তথ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতো।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
লোকসভায় রাহুলের তোপ, আমেরিকার সাথে চুক্তিতে দেশকে বিক্রির অভিযোগ
কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বুধবার লোকসভায় ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি সই হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে কেন্দ্র করে তিনি অভিযোগ করেন, এই একতরফা চুক্তির মাধ্যমে মোদি সরকার ভারত মাতাকে বিক্রি করে দিয়েছে। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি প্রশ্ন রাখেন, দেশকে বিক্রি করতে গিয়ে সরকারের মধ্যে কোনো লজ্জাবোধ কাজ করছে কিনা।
রাহুল গান্ধী এই চুক্তিকে জাতীয় স্বার্থে এক ধরনের ‘পাইকারি আত্মসমর্পণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এর ফলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন আমেরিকার হাতে চলে গেছে, অর্থাৎ ভারত কার কাছ থেকে তেল কিনবে তা এখন ওয়াশিংটনই ঠিক করবে। এছাড়াও তিনি সতর্ক করে দেন যে, মার্কিন কৃষিপণ্যে ভারতীয় বাজার ভরে গেলে দেশের কৃষকরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন এবং বস্ত্রশিল্প ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের ‘যুদ্ধের যুগ শেষ’ বক্তব্যের বিপরীতে রাহুল জানান, বিশ্ব আজ আবারও যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় থাকলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সমান মর্যাদায় আলোচনা করা হতো এবং ভারতের খাদ্য, তথ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতো।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…