নির্বাচনী প্রচারণায় তারেক-শফিকুরের আক্রমণ ও ‘চাঁদাবাজি’র রাজনীতি
গত ২২ জানুয়ারি শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণায় দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। প্রায় ২০ দিনব্যাপী এই জনসংযোগে তাদের বক্তব্যের শব্দভিত্তিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই শীর্ষ নেতার প্রধান অস্ত্র ছিল একে অপরকে ঘায়েল করা। সরাসরি নাম না বললেও ‘একটি বিশেষ দল’কে ইঙ্গিত করে তারা তাদের সমালোচনার তীর ছুড়েছেন।
১০টি করে মোট ২০টি জনসভার বক্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তারেক রহমান তার বক্তব্যের ১১.৬৬ শতাংশ শব্দ ব্যয় করেছেন প্রতিপক্ষকে আক্রমণে। অন্যদিকে শফিকুর রহমান তার বক্তব্যের ১১.১০ শতাংশ একই কাজে ব্যয় করেছেন। নীরবতা বা কোনো বিষয় এড়িয়ে চলাও ছিল তাদের রাজনৈতিক কৌশলের অংশ, যা বোঝায় কোন ইস্যুতে তারা অস্বস্তিবোধ করছেন। সিলেট থেকে সফর শুরু করেন তারেক রহমান আর ঢাকা-১৫ আসন থেকে প্রচারণা শুরু করেছিলেন শফিকুর রহমান।

জামায়াত নেতা শফিকুর রহমানের বক্তব্যে সবচেয়ে বেশিবার উঠে এসেছে ‘চাঁদাবাজ’ শব্দটি। তিনি তার ১০টি জনসভার প্রতিটিতেই এই শব্দ ব্যবহার করেছেন। ময়মনসিংহের জনসভায় তিনি বলেছিলেন, ‘এখনই যারা মানুষের ওপর অত্যাচার করে, নির্যাতন করে, চাঁদাবাজি করে, লুণ্ঠন করে জনগণের সম্পদ; ক্ষমতায় গেলে এরা কী করবে? সারা বাংলাদেশকে কামড় দিয়ে খেয়ে ফেলবে।’ খুলনার জনসভা ছাড়া বাকি ৯টি সভায় তিনি এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন মূলত বিএনপিকে আক্রমণ করতে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
নির্বাচনী প্রচারণায় তারেক-শফিকুরের আক্রমণ ও ‘চাঁদাবাজি’র রাজনীতি
গত ২২ জানুয়ারি শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণায় দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। প্রায় ২০ দিনব্যাপী এই জনসংযোগে তাদের বক্তব্যের শব্দভিত্তিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই শীর্ষ নেতার প্রধান অস্ত্র ছিল একে অপরকে ঘায়েল করা। সরাসরি নাম না বললেও ‘একটি বিশেষ দল’কে ইঙ্গিত করে তারা তাদের সমালোচনার তীর ছুড়েছেন।
১০টি করে মোট ২০টি জনসভার বক্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তারেক রহমান তার বক্তব্যের ১১.৬৬ শতাংশ শব্দ ব্যয় করেছেন প্রতিপক্ষকে আক্রমণে। অন্যদিকে শফিকুর রহমান তার বক্তব্যের ১১.১০ শতাংশ একই কাজে ব্যয় করেছেন। নীরবতা বা কোনো বিষয় এড়িয়ে চলাও ছিল তাদের রাজনৈতিক কৌশলের অংশ, যা বোঝায় কোন ইস্যুতে তারা অস্বস্তিবোধ করছেন। সিলেট থেকে সফর শুরু করেন তারেক রহমান আর ঢাকা-১৫ আসন থেকে প্রচারণা শুরু করেছিলেন শফিকুর রহমান।

জামায়াত নেতা শফিকুর রহমানের বক্তব্যে সবচেয়ে বেশিবার উঠে এসেছে ‘চাঁদাবাজ’ শব্দটি। তিনি তার ১০টি জনসভার প্রতিটিতেই এই শব্দ ব্যবহার করেছেন। ময়মনসিংহের জনসভায় তিনি বলেছিলেন, ‘এখনই যারা মানুষের ওপর অত্যাচার করে, নির্যাতন করে, চাঁদাবাজি করে, লুণ্ঠন করে জনগণের সম্পদ; ক্ষমতায় গেলে এরা কী করবে? সারা বাংলাদেশকে কামড় দিয়ে খেয়ে ফেলবে।’ খুলনার জনসভা ছাড়া বাকি ৯টি সভায় তিনি এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন মূলত বিএনপিকে আক্রমণ করতে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…