বিতর্কের ঝড়ে ভারতবান্ধব মানচিত্র সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) ঘোর বিতর্কের মুখে তাদের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট সরিয়ে নিয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ওই পোস্টে একটি মানচিত্র ছিল, যেখানে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও চীনের অধীন আকসাই চিনসহ সমগ্র জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।
মার্কিন সরকারের নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে এই মানচিত্রের বিরোধই ছিল বিতর্কের মূল কারণ। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র আজাদ কাশ্মীর ও আকসাই চিনকে বিবাদিত অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করে এবং আলাদা দাগ দিয়ে দেখায়। কিন্তু ইউএসটিআরের ওই মানচিত্রে কোনো প্রকার বিতর্কিত সীমান্ত চিহ্ন ছিল না। বিশ্লেষকদের একাংশ একে ভারতের প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ইঙ্গিত বলে মনে করলেও, অন্যদের মতে এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল মাত্র।

এই ঘটনা পাকিস্তানের জন্য কূটনৈতিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষ করে এমন সময়ে যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক উষ্ণ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফর করে ট্রাম্পসহ মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। অন্যদিকে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্কহার ৫০ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশে নামিয়ে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টিও ইতিমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বিতর্কের ঝড়ে ভারতবান্ধব মানচিত্র সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) ঘোর বিতর্কের মুখে তাদের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট সরিয়ে নিয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ওই পোস্টে একটি মানচিত্র ছিল, যেখানে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও চীনের অধীন আকসাই চিনসহ সমগ্র জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।
মার্কিন সরকারের নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে এই মানচিত্রের বিরোধই ছিল বিতর্কের মূল কারণ। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র আজাদ কাশ্মীর ও আকসাই চিনকে বিবাদিত অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করে এবং আলাদা দাগ দিয়ে দেখায়। কিন্তু ইউএসটিআরের ওই মানচিত্রে কোনো প্রকার বিতর্কিত সীমান্ত চিহ্ন ছিল না। বিশ্লেষকদের একাংশ একে ভারতের প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ইঙ্গিত বলে মনে করলেও, অন্যদের মতে এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল মাত্র।

এই ঘটনা পাকিস্তানের জন্য কূটনৈতিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষ করে এমন সময়ে যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক উষ্ণ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফর করে ট্রাম্পসহ মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। অন্যদিকে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্কহার ৫০ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশে নামিয়ে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টিও ইতিমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…