পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখল: মুসলিম দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের এক সুরে সমালোচনা
ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়েই সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘে আরব লীগ ও ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষ থেকে দুই ডজনেরও বেশি রাষ্ট্রদূত যৌথভাবে এর নিন্দা জানিয়েছেন। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোও তেল আবিবের এই পদক্ষেপের বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দেওয়া ওই যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন। মুসলিম বিশ্বের এই কূটনীতিকরা অভিযোগ করেন, দখলকৃত এলাকায় ইসরায়েল যা করছে তা কার্যত সেখানে তাদের একতরফা অন্তর্ভুক্তি বা ডি ফ্যাক্টো সংযুক্তিকরণের শামিল। এটি দুই-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তি ধ্বংস করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই ইস্যুতে তার অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি পশ্চিম তীর ইসরায়েলের সাথে সংযুক্ত করার পক্ষে নন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সংযুক্তির বিরুদ্ধে’। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, দখলকৃত ভূখণ্ডের স্থিতাবস্থা রক্ষা করা না গেলে এই অঞ্চলে টেকসই শান্তি আনা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি দখল: মুসলিম দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের এক সুরে সমালোচনা
ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়েই সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘে আরব লীগ ও ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষ থেকে দুই ডজনেরও বেশি রাষ্ট্রদূত যৌথভাবে এর নিন্দা জানিয়েছেন। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোও তেল আবিবের এই পদক্ষেপের বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দেওয়া ওই যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন। মুসলিম বিশ্বের এই কূটনীতিকরা অভিযোগ করেন, দখলকৃত এলাকায় ইসরায়েল যা করছে তা কার্যত সেখানে তাদের একতরফা অন্তর্ভুক্তি বা ডি ফ্যাক্টো সংযুক্তিকরণের শামিল। এটি দুই-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তি ধ্বংস করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই ইস্যুতে তার অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি পশ্চিম তীর ইসরায়েলের সাথে সংযুক্ত করার পক্ষে নন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সংযুক্তির বিরুদ্ধে’। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, দখলকৃত ভূখণ্ডের স্থিতাবস্থা রক্ষা করা না গেলে এই অঞ্চলে টেকসই শান্তি আনা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…