ইরান সংকটের মধ্যেই কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের সাথে সম্পর্কের চরম অবনতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন ঘাঁটি কাতারের আল-উদেইদে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত জানুয়ারি থেকে উত্তেজনা বাড়লে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে স্থির অবস্থান থেকে সরিয়ে দ্রুত চলাচলযোগ্য ট্রাক-ভিত্তিক লঞ্চারে স্থাপন করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থির লঞ্চারের পরিবর্তে এম৯৮৩ হেভি এক্সপ্যান্ডেড মোবিলিটি ট্যাকটিক্যাল ট্রাকে (এইচইএমটিটি) এই অস্ত্র মোতায়েন করার অর্থ হলো যেকোনো সম্ভাব্য আক্রমণের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরক্ষা বা পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নেওয়া। ফরেনসিক ইমেজারি বিশ্লেষক উইলিয়াম গুডহাইন্ড জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে এই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম ও বিমানের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য বারবার হুঁশিয়ারি দিলেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্য বা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যেকোনো মার্কিন ঘাঁটিতে তারা পাল্টা আঘাত হানতে পিছপা হবে না।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরান সংকটের মধ্যেই কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের সাথে সম্পর্কের চরম অবনতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন ঘাঁটি কাতারের আল-উদেইদে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত জানুয়ারি থেকে উত্তেজনা বাড়লে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে স্থির অবস্থান থেকে সরিয়ে দ্রুত চলাচলযোগ্য ট্রাক-ভিত্তিক লঞ্চারে স্থাপন করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থির লঞ্চারের পরিবর্তে এম৯৮৩ হেভি এক্সপ্যান্ডেড মোবিলিটি ট্যাকটিক্যাল ট্রাকে (এইচইএমটিটি) এই অস্ত্র মোতায়েন করার অর্থ হলো যেকোনো সম্ভাব্য আক্রমণের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরক্ষা বা পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নেওয়া। ফরেনসিক ইমেজারি বিশ্লেষক উইলিয়াম গুডহাইন্ড জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে এই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম ও বিমানের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য বারবার হুঁশিয়ারি দিলেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্য বা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যেকোনো মার্কিন ঘাঁটিতে তারা পাল্টা আঘাত হানতে পিছপা হবে না।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…