‘রিং অব ফায়ার’ আসছে ১৭ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না
আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মহাকাশে দেখা যাবে এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনা—বলয়াকার সূর্যগ্রহণ, যা সাধারণত ‘রিং অব ফায়ার’ বা ‘আগুনের বলয়’ নামে পরিচিত। তবে এই মনোরম দৃশ্য দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ধরা দেবে না, ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের বাসিন্দারা এই প্রাকৃতিক ঘটনা সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন না।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানান, সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করলেও চাঁদ পৃথিবী থেকে কিছুটা দূরে থাকায় সূর্যকে সম্পূর্ণ আবৃত করতে পারে না। এর ফলে সূর্যের বাইরের প্রান্তটি একটি উজ্জ্বল বলয় হয়ে থাকে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১ মিনিট থেকে শুরু হওয়া এই গ্রহণের বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে।

এই সূর্যগ্রহণ পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু এলাকায় দৃশ্যমান হবে, প্রধানত অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম অঞ্চল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ থেকে এটি দেখা যাবে। অপরদিকে, যারা এই গ্রহণ প্রত্যক্ষ করবেন, তাদের জন্য চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ চশমা বা খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, তাই অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন (আইএসও ১২৩১২-২) সুরক্ষা চশমা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
‘রিং অব ফায়ার’ আসছে ১৭ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না
আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মহাকাশে দেখা যাবে এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনা—বলয়াকার সূর্যগ্রহণ, যা সাধারণত ‘রিং অব ফায়ার’ বা ‘আগুনের বলয়’ নামে পরিচিত। তবে এই মনোরম দৃশ্য দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ধরা দেবে না, ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের বাসিন্দারা এই প্রাকৃতিক ঘটনা সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন না।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানান, সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করলেও চাঁদ পৃথিবী থেকে কিছুটা দূরে থাকায় সূর্যকে সম্পূর্ণ আবৃত করতে পারে না। এর ফলে সূর্যের বাইরের প্রান্তটি একটি উজ্জ্বল বলয় হয়ে থাকে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১ মিনিট থেকে শুরু হওয়া এই গ্রহণের বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে।

এই সূর্যগ্রহণ পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু এলাকায় দৃশ্যমান হবে, প্রধানত অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম অঞ্চল, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ থেকে এটি দেখা যাবে। অপরদিকে, যারা এই গ্রহণ প্রত্যক্ষ করবেন, তাদের জন্য চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ চশমা বা খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, তাই অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন (আইএসও ১২৩১২-২) সুরক্ষা চশমা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…