ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে ট্রাম্পের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বৈঠকে তিনি ইরানের পারমাণবিক আলোচনায় কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে চাপ দেবেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর এটি নেতানিয়াহুর ষষ্ঠ মার্কিন সফর।
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজা বিষয়ক ‘শান্তির বোর্ড’-এর বৈঠকে যোগ দিতে নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটন সফরের কথা থাকলেও, ওমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা এগিয়ে যাওয়ায় তিনি সফরের সময় এগিয়ে এনেছেন। এ সফরে তিনি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাবেন। এদিকে তেহরান সোমবার সতর্ক করে দিয়েছে যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কূটনৈতিক আলোচনায় ‘ধ্বংসাত্মক প্রভাব’ ফেলতে পারে।

মঙ্গলবার অ্যাক্সিওস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, তেহরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় মার্কিন সামরিক বহর পাঠানোর কথা ভাবছেন তিনি। তিনি বলেন, হয় আমরা একটি চুক্তি করবো, নয়তো আমাদের গতবারের মতো খুব কঠোর কিছু করতে হবে। আমাদের একটি বহর সেখানে আছে এবং আরেকটি হয়তো যাচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে ট্রাম্পের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বৈঠকে তিনি ইরানের পারমাণবিক আলোচনায় কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে চাপ দেবেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর এটি নেতানিয়াহুর ষষ্ঠ মার্কিন সফর।
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি গাজা বিষয়ক ‘শান্তির বোর্ড’-এর বৈঠকে যোগ দিতে নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটন সফরের কথা থাকলেও, ওমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা এগিয়ে যাওয়ায় তিনি সফরের সময় এগিয়ে এনেছেন। এ সফরে তিনি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাবেন। এদিকে তেহরান সোমবার সতর্ক করে দিয়েছে যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কূটনৈতিক আলোচনায় ‘ধ্বংসাত্মক প্রভাব’ ফেলতে পারে।

মঙ্গলবার অ্যাক্সিওস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, তেহরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় মার্কিন সামরিক বহর পাঠানোর কথা ভাবছেন তিনি। তিনি বলেন, হয় আমরা একটি চুক্তি করবো, নয়তো আমাদের গতবারের মতো খুব কঠোর কিছু করতে হবে। আমাদের একটি বহর সেখানে আছে এবং আরেকটি হয়তো যাচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…