এপস্টেইন ইস্যুতেও অনড় স্টারমার, পাশে রয়েছে সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভা
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং জানিয়েছেন যে তিনি ক্ষমতায় থাকার জনসমর্থন এখনও ধরে রেখেছেন। সাবেক মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসনের সাথে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সত্ত্বেও তিনি নিজের অবস্থানে অটল রয়েছেন। ডাউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে দেশের উন্নয়নমূলক কাজগুলোর ওপরই গুরুত্ব দিতে চান।
এই অস্থিরতার মধ্যেই স্টারমারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা। চ্যান্সেলর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রীরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকার ঐক্যবদ্ধ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তারা এই পদত্যাগের দাবিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভদের একটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অপরদিকে, বিরোধী দল ও বিভিন্ন সমালোচকমহল এই ইস্যুকে জনগণের আস্থা হারানোর কারণ বলে অভিহিত করছেন এবং এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট নথিপত্র নিয়ে স্বচ্ছতার দাবি জানাচ্ছেন। তবে সরকার বলছে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অতীতের সম্পর্কের দায় বর্তমান প্রশাসনের ওপর বর্তাবে না। এই সংকট আগামীতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে স্টারমার ও লেবার পার্টির ভাবমূর্তির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
এপস্টেইন ইস্যুতেও অনড় স্টারমার, পাশে রয়েছে সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভা
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং জানিয়েছেন যে তিনি ক্ষমতায় থাকার জনসমর্থন এখনও ধরে রেখেছেন। সাবেক মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসনের সাথে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সত্ত্বেও তিনি নিজের অবস্থানে অটল রয়েছেন। ডাউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে দেশের উন্নয়নমূলক কাজগুলোর ওপরই গুরুত্ব দিতে চান।
এই অস্থিরতার মধ্যেই স্টারমারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা। চ্যান্সেলর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রীরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকার ঐক্যবদ্ধ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তারা এই পদত্যাগের দাবিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভদের একটি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অপরদিকে, বিরোধী দল ও বিভিন্ন সমালোচকমহল এই ইস্যুকে জনগণের আস্থা হারানোর কারণ বলে অভিহিত করছেন এবং এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট নথিপত্র নিয়ে স্বচ্ছতার দাবি জানাচ্ছেন। তবে সরকার বলছে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অতীতের সম্পর্কের দায় বর্তমান প্রশাসনের ওপর বর্তাবে না। এই সংকট আগামীতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে স্টারমার ও লেবার পার্টির ভাবমূর্তির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…