সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি কিমের, চলতি মাসেই আসছে নতুন পাঁচ বছরের নীতিমালা
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন দেশটির সামরিক বাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করার ঘোষণা দিয়েছেন। গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় অনুযায়ী সামরিক বাহিনীর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি এই প্রতিশ্রুতি বর্ণনা করেন। নিজের ১৫ বছরের শাসনামলের সাফল্য তুলে ধরতে তিনি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সামরিক মহড়া এবং আধুনিক অস্ত্রের প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন।
এদিকে, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসেই উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের নবম কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখা জানাবেন কিম জং উন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই নতুন নীতিমালায় অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া, পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির পরিধি বৃদ্ধি এবং মস্কো-বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্ক জোরদারের বার্তাও এতে স্থান পেতে পারে।

আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, আসন্ন সম্মেলনে কিম জং উন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), মাল্টি-ওয়ারহেড ব্যবস্থা, সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপণযোগ্য পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং গোয়েন্দা উপগ্রহ বসানোর মতো উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেন। সামগ্রিকভাবে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে পিয়ংইয়ং।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি কিমের, চলতি মাসেই আসছে নতুন পাঁচ বছরের নীতিমালা
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন দেশটির সামরিক বাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করার ঘোষণা দিয়েছেন। গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় অনুযায়ী সামরিক বাহিনীর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি এই প্রতিশ্রুতি বর্ণনা করেন। নিজের ১৫ বছরের শাসনামলের সাফল্য তুলে ধরতে তিনি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সামরিক মহড়া এবং আধুনিক অস্ত্রের প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন।
এদিকে, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসেই উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের নবম কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখা জানাবেন কিম জং উন। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই নতুন নীতিমালায় অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া, পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির পরিধি বৃদ্ধি এবং মস্কো-বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্ক জোরদারের বার্তাও এতে স্থান পেতে পারে।

আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, আসন্ন সম্মেলনে কিম জং উন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), মাল্টি-ওয়ারহেড ব্যবস্থা, সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপণযোগ্য পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং গোয়েন্দা উপগ্রহ বসানোর মতো উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেন। সামগ্রিকভাবে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে পিয়ংইয়ং।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…