পশ্চিম তীর দখলে ইসরাইলের পরিকল্পনায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ও বিশ্বনেতারা
অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ইসরাইলের সাথে সংযুক্ত করার নতুন পরিকল্পনার বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সোমবার (৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি নিশ্চিত করার স্বার্থেই ওয়াশিংটন এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেই কেবল ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের নেতৃত্বে ইসরাইলি নিরাপত্তা ক্যাবিনেট সম্প্রতি এমন এক আইনি পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে, যা অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের জমি দখলের পথ সুগম করবে। এই নতুন নীতির অধীনে, হেব্রনসহ বড় শহরগুলোতে নির্মাণকাজের অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার ফিলিস্তিনি প্রশাসনের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে নিবে ইসরাইলি সরকার। স্মোট্রিচ প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে, এর মূল উদ্দেশ্যই হলো স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে চিরতরে নস্যাৎ করা।
ইসরাইলের এই সম্প্রসারণবাদী নীতির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর, কাতার ও পাকিস্তানসহ আটটি মুসলিম দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে একে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক্ষেপকে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের ক্ষেত্রে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন। ব্রিটেন ও স্পেন সরকারও এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে, যেখানে স্পেন সতর্ক করে দিয়েছে যে এটি গাজায় চলমান সংঘাত আরও তীব্র করতে পারে।

