গত ছয় দশকের রেকর্ড ভাঙা শীতে নিউইয়র্কে ১৮ জনের মৃত্যু
নিউইয়র্ক শহরে প্রবল শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়ে অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম নিউইয়র্কবাসী এমন ভয়াবহ ঠান্ডার মুখোমুখি হলো। সোমবার শহরের মেয়র জোহরান মামদানি এই হতাহতের খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এই বিপর্যয়কর আবহাওয়ায় আরও একজন নগরবাসী প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রতিটি মৃত্যু তাদের জন্য মর্মান্তিক।
জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে টানা ১৩ দিন ধরে শহরের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে অর্থাৎ শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের দিকে নেমে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১৯ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় এবং এরপর থেকে প্রায় ১,৪০০টি স্থানকে আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে খোলা আকাশের নিচে পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতির নাজুকতা তুলে ধরে।

মেয়র মামদানি শহরের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছেন, এই কঠিন সময়ে নিরাপদ থাকতে ঘরের বাইরে না বের হওয়াই শ্রেয় এবং প্রত্যেকে একে অপরের খোঁজ রাখুন। তবে মার্কিন জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এরপরও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গত ছয় দশকের রেকর্ড ভাঙা শীতে নিউইয়র্কে ১৮ জনের মৃত্যু
নিউইয়র্ক শহরে প্রবল শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়ে অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গত ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম নিউইয়র্কবাসী এমন ভয়াবহ ঠান্ডার মুখোমুখি হলো। সোমবার শহরের মেয়র জোহরান মামদানি এই হতাহতের খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এই বিপর্যয়কর আবহাওয়ায় আরও একজন নগরবাসী প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রতিটি মৃত্যু তাদের জন্য মর্মান্তিক।
জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে টানা ১৩ দিন ধরে শহরের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে অর্থাৎ শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের দিকে নেমে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১৯ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় এবং এরপর থেকে প্রায় ১,৪০০টি স্থানকে আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে খোলা আকাশের নিচে পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতির নাজুকতা তুলে ধরে।

মেয়র মামদানি শহরের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেছেন, এই কঠিন সময়ে নিরাপদ থাকতে ঘরের বাইরে না বের হওয়াই শ্রেয় এবং প্রত্যেকে একে অপরের খোঁজ রাখুন। তবে মার্কিন জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এরপরও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…