বিজ্ঞাপন

মার্কিন আগ্রাসন হলে মধ্যপ্রাচ্যের সব ঘাঁটি ধ্বংসের হুমকি ইরানের

প্রাইম বার্তা অনলাইন
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৭ এএম
মার্কিন আগ্রাসন হলে মধ্যপ্রাচ্যের সব ঘাঁটি ধ্বংসের হুমকি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তবে অঞ্চলটিতে অবস্থিত প্রতিটি মার্কিন ঘাঁটি তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইলের টার্গেটে পরিণত হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৌবহর পাঠানোর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে তেহরান এই কঠোর অবস্থান নিলো। আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে হামলা করা কঠিন হলেও মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো তাদের আয়ত্তের মধ্যেই রয়েছে এবং তারা প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত।

সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, তেহরানের হাতে থাকা প্রায় দুই হাজার মাঝারি ও স্বল্প পাল্লার মিসাইল এখন তাদের প্রধান অস্ত্র। খুররমশাহর এবং সেজজিলের মতো আধুনিক মিসাইল দিয়ে তারা কাতারের আল উদেইদ, বাহরাইনের নৌঘাঁটি, ইরাক, সিরিয়া এবং তুরস্কের ইনজিলিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম। গত বছর ইসরায়েলের ওপর ৫০০ মিসাইল ছোড়ার মাধ্যমেও তারা তাদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। তবে আরাঘচি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তারা প্রতিবেশী দেশগুলোকে টার্গেট করবে না, বরং সেখানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোই তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য হবে।

বিজ্ঞাপন

এই পরিস্থিতিতে পেন্টাগন সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সম্ভাব্য ইরানি হামলা ঠেকাতে তারা জর্ডান, কুয়েত এবং সৌদি আরবে থ্যাড ও প্যাট্রিয়ট মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে ওমানে পরোক্ষ আলোচনা চললেও তেহরান পরমাণু সমৃদ্ধকরণ এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস করতে রাজি নয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তারা এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে এবং ওয়াশিংটনের কোনো চাপ তারা মেনে নেবে না। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কা এখনও অনেক বিশেষজ্ঞ মহলে উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

বিজ্ঞাপন
শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...