আসামে উচ্ছেদের পর ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় বাসিন্দারা
নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন আসামের নগাঁও জেলার বাসিন্দা ফাজিলা খাতুন। সম্প্রতি বনদপ্তরের উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন হয়ে পড়া এই নারী এখন প্লাস্টিকের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে তাদের সব শেষ। এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম হওয়ার অপরাধে তাদের কি দেশ থেকেই বের করে দেওয়া হবে—এই আতঙ্কে ভুগছেন তারা।
গত ২৯ নভেম্বর থেকে লুটুমারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে টানা দুই দিনের উচ্ছেদ অভিযান চালায় রাজ্য সরকার। জঙ্গলের জমি জবরদখল করে বসতি গড়ে তোলার অভিযোগে ফাজিলাসহ প্রায় ৩৩১টি পরিবারকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এই অভিযানে প্রায় ছয় হাজার বিঘা জমি পুনরুদ্ধার করেছে প্রশাসন। বাস্তুচ্যুত এই মানুষগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ঘরবাড়ি হারানোর পর এখন নাগরিকত্ব নিয়ে তীব্র দুশ্চিন্তা তাদের পিছু ছাড়ছে না। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন তাদের শুনানির নোটিশ পাঠাচ্ছে। ফাজিলা খাতুন জানান, বারবার নোটিশ পেয়ে তিনি সব ধরনের নথিপত্র নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে হাজির হয়েছেন। কিন্তু এখনও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না তারা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
আসামে উচ্ছেদের পর ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় বাসিন্দারা
নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন আসামের নগাঁও জেলার বাসিন্দা ফাজিলা খাতুন। সম্প্রতি বনদপ্তরের উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন হয়ে পড়া এই নারী এখন প্লাস্টিকের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে তাদের সব শেষ। এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম হওয়ার অপরাধে তাদের কি দেশ থেকেই বের করে দেওয়া হবে—এই আতঙ্কে ভুগছেন তারা।
গত ২৯ নভেম্বর থেকে লুটুমারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে টানা দুই দিনের উচ্ছেদ অভিযান চালায় রাজ্য সরকার। জঙ্গলের জমি জবরদখল করে বসতি গড়ে তোলার অভিযোগে ফাজিলাসহ প্রায় ৩৩১টি পরিবারকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এই অভিযানে প্রায় ছয় হাজার বিঘা জমি পুনরুদ্ধার করেছে প্রশাসন। বাস্তুচ্যুত এই মানুষগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ঘরবাড়ি হারানোর পর এখন নাগরিকত্ব নিয়ে তীব্র দুশ্চিন্তা তাদের পিছু ছাড়ছে না। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন তাদের শুনানির নোটিশ পাঠাচ্ছে। ফাজিলা খাতুন জানান, বারবার নোটিশ পেয়ে তিনি সব ধরনের নথিপত্র নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে হাজির হয়েছেন। কিন্তু এখনও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না তারা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…