হরমুজে উত্তেজনা: ইরানি জলসীমা এড়িয়ে চলতে বললো যুক্তরাষ্ট্র
ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে বিরাজমান কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী মার্কিন পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন জাহাজগুলোকে ইরানের সামুদ্রিক সীমানা থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে বলেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএস ম্যারাড) জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, কোনো কারণে ইরানি বাহিনী যদি জাহাজে উঠে আসে, সে ক্ষেত্রে নাবিকদের জোরপূর্বক প্রতিরোধ করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। তবে এই পরামর্শকে তল্লাশি বা জাহাজে ওঠার প্রতি সম্মতি হিসেবে গণ্য করারও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তার স্বার্থে পূর্বমুখী যাত্রার সময় জাহাজগুলোকে ওমানের জলসীমার নিকটবর্তী পথ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এই অঞ্চলে সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বরাবরই ঝুঁকির মুখে থাকে। ১৯৮০-র দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বাণিজ্যিক জাহাজে আগ্রাসনের ঘটনা ঘটেছিল, যা ইতিহাসে ‘ট্যাংকার যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। এছাড়াও গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে সম্প্রতি লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হুথি গোষ্ঠীর হামলার ঘটনা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
হরমুজে উত্তেজনা: ইরানি জলসীমা এড়িয়ে চলতে বললো যুক্তরাষ্ট্র
ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে বিরাজমান কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী মার্কিন পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন জাহাজগুলোকে ইরানের সামুদ্রিক সীমানা থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে বলেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইউএস ম্যারাড) জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, কোনো কারণে ইরানি বাহিনী যদি জাহাজে উঠে আসে, সে ক্ষেত্রে নাবিকদের জোরপূর্বক প্রতিরোধ করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। তবে এই পরামর্শকে তল্লাশি বা জাহাজে ওঠার প্রতি সম্মতি হিসেবে গণ্য করারও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তার স্বার্থে পূর্বমুখী যাত্রার সময় জাহাজগুলোকে ওমানের জলসীমার নিকটবর্তী পথ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এই অঞ্চলে সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বরাবরই ঝুঁকির মুখে থাকে। ১৯৮০-র দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বাণিজ্যিক জাহাজে আগ্রাসনের ঘটনা ঘটেছিল, যা ইতিহাসে ‘ট্যাংকার যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। এছাড়াও গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে সম্প্রতি লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হুথি গোষ্ঠীর হামলার ঘটনা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…