ইরানের হুমকি মোকাবিলায় একা হামলার প্রস্তুতি ইসরাইলের
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় আস্থা হারিয়ে ফেলেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ালে তারা প্রয়োজনে এককভাবে সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত।
সম্প্রতি ওমানের রাজধানী মাসকটে উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা বিশেষ ফলপ্রসূ হয়নি। এরপরই তেহরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের কাছে পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন বাদ দেওয়ার শর্ত দিয়েছেন। অন্যদিকে, আলোচনার দরজা খোলা রাখার পাশাপাশি যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের সেনাবাহিনী ট্রিগারে আঙুল রেখেছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এখনও ‘রেড লাইন’ বা চরম সীমায় পৌঁছায়নি। তবে ইরানের অভ্যন্তরে যা ঘটছে তা তারা সতর্কতার সাথে নজরদারি করছে। মার্কিন প্রশাসনের সাথে আলোচনায় ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরানের মিসাইল কর্মসূচি তাদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে ইরান যদি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে, তবে জেরুজালেম কোনো বাহ্যিক সহায়তা ছাড়াই নিজেদের স্বার্থে সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

