যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা হারালো ইসরায়েল, ইরানে একলা হামলার হুঁশিয়ারি
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের জন্য আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং একাধিক ডেস্ট্রয়ার জাহাজ মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওমানের রাজধানী মাসকটে অনুষ্ঠিত উভয় পক্ষের পরোক্ষ বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পরমাণু ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধের শর্ত দিলেও তা উপেক্ষা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সাফ জানিয়েছেন, আলোচনার পাশাপাশি যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে তাদের সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় আস্থা হারিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি তাদের জন্য অস্তিত্ব সংকটের কারণ। এরই মধ্যে তারা একটি ‘রেড লাইন’ বা লাল রেখা নির্ধারণ করেছে। ইসরায়েল সাফ জানিয়েছে, ইরান যদি ওই সীমা অতিক্রম করে তবে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়াই এককভাবে সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে প্রস্তুত তারা। তবে বর্তমানে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি তাদের ওই চরম সীমায় পৌঁছায়নি বলে দাবি জেরুজালেমের।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তা বিশ্বব্যাপী মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। ইসরায়েল এককভাবে হামলা চালালে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য সংঘাত রোধে আন্তর্জাতিক মহল থেকে উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

