ইরানের মিসাইল কর্মসূচিতে রেড লাইন, একক হামলার প্রস্তুতি ইসরায়েলের
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সংকট যখন তুঙ্গে, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে একটি ‘রেড লাইন’ বা লাল রেখা টেনেছে জেরুজালেম। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দিয়েছে, এই সীমা অতিক্রম করলে তারা প্রয়োজনে এককভাবে সামরিক অভিযান চালাতে পিছপা হবে না।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে। আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং বেশ কয়েকটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। ওমানের রাজধানী মাসকটে দুই পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল খাতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং পরমাণু ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধের আল্টিমেটাম দিয়েছে।

তবে এসব চাপের মুখে পিছু হটছে না তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সাফ জানিয়েছেন, তাদের সেনাবাহিনী ট্রিগারে আঙুল রেখেই অপেক্ষা করছে। ইরান যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, তারা ইরানের ভেতরে ঘটমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে নজরদারি করছে। এখনও পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা যেকোনো সময় কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানের মিসাইল কর্মসূচিতে রেড লাইন, একক হামলার প্রস্তুতি ইসরায়েলের
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সংকট যখন তুঙ্গে, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে একটি ‘রেড লাইন’ বা লাল রেখা টেনেছে জেরুজালেম। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দিয়েছে, এই সীমা অতিক্রম করলে তারা প্রয়োজনে এককভাবে সামরিক অভিযান চালাতে পিছপা হবে না।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে। আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং বেশ কয়েকটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। ওমানের রাজধানী মাসকটে দুই পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল খাতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং পরমাণু ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধের আল্টিমেটাম দিয়েছে।

তবে এসব চাপের মুখে পিছু হটছে না তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সাফ জানিয়েছেন, তাদের সেনাবাহিনী ট্রিগারে আঙুল রেখেই অপেক্ষা করছে। ইরান যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, তারা ইরানের ভেতরে ঘটমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে নজরদারি করছে। এখনও পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা যেকোনো সময় কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…