সীমান্ত পেরিয়ে লেবানন থেকে অপহরণ আল-ইসলামিয়ার নেতা, উত্তেজনা বাড়ছে
চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে লেবানন সীমান্তে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ লেবাননের হাসবাইয়া জেলায় হানা দিয়ে আল-জামাআ আল-ইসলামিয়ার একজন শীর্ষ নেতাকে তার বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গোটা ঘটনাটিকে স্পষ্ট ‘আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছে ওই রাজনৈতিক দলটি।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আতউই আতউই নামের ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় দখলদার বাহিনী। হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ত এই সংগঠনটি উত্তর ইসরায়েলে একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা একটি ‘লক্ষ্যবস্তু’ অভিযান চালিয়ে এক জ্যেষ্ঠ সন্ত্রাসীকে আটক করেছে, যাকে জেরা করতে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রেখেছে তেল আবিব। চুক্তি অনুযায়ী, লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং সীমান্ত থেকে ২৭ কিলোমিটার উত্তরে লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো সরানোর কথা থাকলেও তা মানছে না ইসরায়েল। কৌশলগত কারণ দেখিয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এখনো দখলে রেখেছে দেশটি, যা স্থানীয় উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
সীমান্ত পেরিয়ে লেবানন থেকে অপহরণ আল-ইসলামিয়ার নেতা, উত্তেজনা বাড়ছে
চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে লেবানন সীমান্তে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ লেবাননের হাসবাইয়া জেলায় হানা দিয়ে আল-জামাআ আল-ইসলামিয়ার একজন শীর্ষ নেতাকে তার বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গোটা ঘটনাটিকে স্পষ্ট ‘আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছে ওই রাজনৈতিক দলটি।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আতউই আতউই নামের ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় দখলদার বাহিনী। হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ত এই সংগঠনটি উত্তর ইসরায়েলে একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা একটি ‘লক্ষ্যবস্তু’ অভিযান চালিয়ে এক জ্যেষ্ঠ সন্ত্রাসীকে আটক করেছে, যাকে জেরা করতে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রেখেছে তেল আবিব। চুক্তি অনুযায়ী, লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং সীমান্ত থেকে ২৭ কিলোমিটার উত্তরে লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো সরানোর কথা থাকলেও তা মানছে না ইসরায়েল। কৌশলগত কারণ দেখিয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এখনো দখলে রেখেছে দেশটি, যা স্থানীয় উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…