কারাগারের কঠোর পরিবেশের কারণে স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার চায় ট্যারান্ট
নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের ভয়াল ক্রাইস্টচার্চ মসজিদ হামলার দায়ে দণ্ডিত ব্রেন্টন ট্যারান্ট এবার তার দেওয়া অপরাধ স্বীকারের বক্তব্য প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ভার্চুয়াল আদালতে হাজির হয়ে এই অস্ট্রেলীয় বন্দী দাবি করেছেন, কারাগারের অমানবিক ও প্রতিকূল পরিবেশ তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে, যার প্রেক্ষিতে আদালতে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।
২০১৯ সালের মার্চে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ৫১ জন মুসলিমকে হত্যা করেন ট্যারান্ট। এরপর ২০২০ সালের মার্চে ৫১টি খুন, ৪০টি খুনের চেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদ আইনে দোষ স্বীকার করেন। ওই বছরের আগস্টে তাকে প্যারোলবিহীন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা দেশটির আইনে এটিই প্রথম। তবে শুনানিতে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় একাকী কারাবাস এবং সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে তিনি ‘চরম মানসিক দুর্বলতায়’ ভুগছিলেন।

ওয়েলিংটনের আপিল আদালতে তিন বিচারকের সামনে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ট্যারান্ট জানান, বিচার শুরুর কয়েক মাস আগে অসুস্থতার কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০২২ সালে তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও নির্ধারিত সময়ের বাইরে হওয়ায় আপিলটি গ্রহণযোগ্য কিনা তা খতিয়ে দেখছে আদালত। সপ্তাহব্যাপী এই শুনানি শেষে আগামী দিনে আদালত তার আপিল গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
কারাগারের কঠোর পরিবেশের কারণে স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার চায় ট্যারান্ট
নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের ভয়াল ক্রাইস্টচার্চ মসজিদ হামলার দায়ে দণ্ডিত ব্রেন্টন ট্যারান্ট এবার তার দেওয়া অপরাধ স্বীকারের বক্তব্য প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ভার্চুয়াল আদালতে হাজির হয়ে এই অস্ট্রেলীয় বন্দী দাবি করেছেন, কারাগারের অমানবিক ও প্রতিকূল পরিবেশ তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে, যার প্রেক্ষিতে আদালতে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।
২০১৯ সালের মার্চে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ৫১ জন মুসলিমকে হত্যা করেন ট্যারান্ট। এরপর ২০২০ সালের মার্চে ৫১টি খুন, ৪০টি খুনের চেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদ আইনে দোষ স্বীকার করেন। ওই বছরের আগস্টে তাকে প্যারোলবিহীন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা দেশটির আইনে এটিই প্রথম। তবে শুনানিতে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় একাকী কারাবাস এবং সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে তিনি ‘চরম মানসিক দুর্বলতায়’ ভুগছিলেন।

ওয়েলিংটনের আপিল আদালতে তিন বিচারকের সামনে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ট্যারান্ট জানান, বিচার শুরুর কয়েক মাস আগে অসুস্থতার কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০২২ সালে তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও নির্ধারিত সময়ের বাইরে হওয়ায় আপিলটি গ্রহণযোগ্য কিনা তা খতিয়ে দেখছে আদালত। সপ্তাহব্যাপী এই শুনানি শেষে আগামী দিনে আদালত তার আপিল গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…