গাজার প্রতি সংহতিতে অস্ট্রেলিয়ায় হার্জোগ, বিক্ষোভে উত্তাল সিডনি
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের অস্ট্রেলিয়া সফরকে কেন্দ্র করে দেশটিতে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। গাজায় চলমান সহিংসতা ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে সোমবার সন্ধ্যায় সিডনি শহরের কেন্দ্রস্থলে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। যদিও হার্জোগ চার দিনের এই সফরে এসেছিলেন গত বছর বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ইহুদিদের ওপর হামলার পর ওই সম্প্রদায়ের প্রতি সমবেদনা জানাতে, কিন্তু গাজায় বেসামরিক মানুষ হত্যার ঘটনায় তার জড়িত থাকার অভিযোগে সাধারণ মানুষ এই সফরের তীব্র বিরোধিতা করছেন।
ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকারীদের আয়োজনে সিডনির বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনের পক্ষে স্লোগান ওঠে। ৩০ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী জ্যাকসন এলিয়ট জানান, বন্ডির ঘটনা যতই ভয়াবহ হোক না কেন, ফিলিস্তিনি ও গাজার জনগণের প্রতি অস্ট্রেলিয়ান নেতৃত্ব যে উদাসীনতা দেখাচ্ছে তা মেনে নেওয়া যায় না। তিনি অভিযোগ করেন, হার্জোগ তার বক্তব্যে দখলদারিত্বের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এবং শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপরই জোর দিয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও হার্জোগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিডনিজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই সফর উপলক্ষ্যে প্রায় তিন হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি ঘোড়ায় চড়ে টহল দিতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এবং আকাশে টহল দিচ্ছে হেলিকপ্টার।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজার প্রতি সংহতিতে অস্ট্রেলিয়ায় হার্জোগ, বিক্ষোভে উত্তাল সিডনি
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের অস্ট্রেলিয়া সফরকে কেন্দ্র করে দেশটিতে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। গাজায় চলমান সহিংসতা ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে সোমবার সন্ধ্যায় সিডনি শহরের কেন্দ্রস্থলে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। যদিও হার্জোগ চার দিনের এই সফরে এসেছিলেন গত বছর বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ইহুদিদের ওপর হামলার পর ওই সম্প্রদায়ের প্রতি সমবেদনা জানাতে, কিন্তু গাজায় বেসামরিক মানুষ হত্যার ঘটনায় তার জড়িত থাকার অভিযোগে সাধারণ মানুষ এই সফরের তীব্র বিরোধিতা করছেন।
ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকারীদের আয়োজনে সিডনির বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনের পক্ষে স্লোগান ওঠে। ৩০ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী জ্যাকসন এলিয়ট জানান, বন্ডির ঘটনা যতই ভয়াবহ হোক না কেন, ফিলিস্তিনি ও গাজার জনগণের প্রতি অস্ট্রেলিয়ান নেতৃত্ব যে উদাসীনতা দেখাচ্ছে তা মেনে নেওয়া যায় না। তিনি অভিযোগ করেন, হার্জোগ তার বক্তব্যে দখলদারিত্বের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এবং শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপরই জোর দিয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও হার্জোগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিডনিজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই সফর উপলক্ষ্যে প্রায় তিন হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি ঘোড়ায় চড়ে টহল দিতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এবং আকাশে টহল দিচ্ছে হেলিকপ্টার।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…