রাষ্ট্রদ্রোহ ও ষড়যন্ত্রের দায়ে হংকংয়ে জিমি লাইয়ের ২০ বছর কারাদণ্ড
বিদেশি শক্তির সাথে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে হংকংয়ের বিশিষ্ট গণতন্ত্রপন্থি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জিমি লাইকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত এই ব্রিটিশ নাগরিককে সোমবার হাইকোর্টে রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন তিনি। একইসাথে তার প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাপল ডেইলি’র আরও ছয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকেও বিচারকাজ শেষে সাজা প্রদান করা হয়েছে।
২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে কারাগারে থাকা ৭৮ বছর বয়সী লাইকে চীনা কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দেওয়া তার সংবাদপত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালানোর অভিযোগ আনা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর হংকংয়ের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারকরা। তবে বিচারকালীন সময়ে নিজের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন এই ধনকুবের।

এই রায়কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, বেইজিং সফরে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে লাইয়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও তার মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। পশ্চিমা সরকার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই মামলাকে গণতন্ত্রের ওপর হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
রাষ্ট্রদ্রোহ ও ষড়যন্ত্রের দায়ে হংকংয়ে জিমি লাইয়ের ২০ বছর কারাদণ্ড
বিদেশি শক্তির সাথে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে হংকংয়ের বিশিষ্ট গণতন্ত্রপন্থি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জিমি লাইকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত এই ব্রিটিশ নাগরিককে সোমবার হাইকোর্টে রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন তিনি। একইসাথে তার প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাপল ডেইলি’র আরও ছয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকেও বিচারকাজ শেষে সাজা প্রদান করা হয়েছে।
২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে কারাগারে থাকা ৭৮ বছর বয়সী লাইকে চীনা কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দেওয়া তার সংবাদপত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালানোর অভিযোগ আনা হয়। গত ১৫ ডিসেম্বর হংকংয়ের বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারকরা। তবে বিচারকালীন সময়ে নিজের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন এই ধনকুবের।

এই রায়কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, বেইজিং সফরে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে লাইয়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও তার মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। পশ্চিমা সরকার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই মামলাকে গণতন্ত্রের ওপর হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…