ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিবাদে ডেনমার্কে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বয়কট অ্যাপ
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একগুঁয়ে মনোভাবের জেরে ডেনমার্ক ও ইউরোপজুড়ে মার্কিন পণ্য বর্জনের হিড়িক পড়েছে। ক্ষুব্ধ নাগরিকদের এই প্রতিবাদে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে ‘মেড ও’মিটার’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ, যা সাম্প্রতিক সময়ে অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
কোপেনহেগেনের ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ ইয়ান রোজেনফেল্ট জানান, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরমে ওঠার সময় মাত্র তিন দিনে অ্যাপটি প্রায় ৩০ হাজারবার ডাউনলোড করা হয়। গত মার্চ মাসে অ্যাপটি চালু হওয়ার পর থেকে মোট ডাউনলোডের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন পণ্য পরিত্যাগে আগ্রহীদের জন্য গড়া একটি ফেসবুক গ্রুপের প্রেরণা থেকেই তিনি এই প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেন। তিনি বলেন, বারকোড স্ক্যান করেও অনেক সময় বোঝা যায় না পণ্যটি আসলে কোন দেশের, ফলে সাধারণ ক্রেতারা সিদ্ধান্ত নিয়ে বিপাকে পড়েন।

এআই প্রযুক্তিনির্ভর এই অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহারকারীদের কয়েকটি পণ্য একসঙ্গে স্ক্যান করতে এবং ইউরোপে তৈরি বিকল্প পণ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এর নির্ভুলতার হার ৯৫ শতাংশের বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। ডাউনলোডের পাশাপাশি এর ব্যবহারও তুঙ্গে। গত গ্রীষ্মে যেখানে দৈনিক মাত্র ৫০০ বার স্ক্যান করা হতো, সেখানে ২৩ জানুয়ারি একদিনেই প্রায় ৪০ হাজার পণ্য স্ক্যান করা হয়। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার পণ্য স্ক্যান করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিবাদে ডেনমার্কে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বয়কট অ্যাপ
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একগুঁয়ে মনোভাবের জেরে ডেনমার্ক ও ইউরোপজুড়ে মার্কিন পণ্য বর্জনের হিড়িক পড়েছে। ক্ষুব্ধ নাগরিকদের এই প্রতিবাদে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে ‘মেড ও’মিটার’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ, যা সাম্প্রতিক সময়ে অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
কোপেনহেগেনের ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ ইয়ান রোজেনফেল্ট জানান, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরমে ওঠার সময় মাত্র তিন দিনে অ্যাপটি প্রায় ৩০ হাজারবার ডাউনলোড করা হয়। গত মার্চ মাসে অ্যাপটি চালু হওয়ার পর থেকে মোট ডাউনলোডের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন পণ্য পরিত্যাগে আগ্রহীদের জন্য গড়া একটি ফেসবুক গ্রুপের প্রেরণা থেকেই তিনি এই প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেন। তিনি বলেন, বারকোড স্ক্যান করেও অনেক সময় বোঝা যায় না পণ্যটি আসলে কোন দেশের, ফলে সাধারণ ক্রেতারা সিদ্ধান্ত নিয়ে বিপাকে পড়েন।

এআই প্রযুক্তিনির্ভর এই অ্যাপটির সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহারকারীদের কয়েকটি পণ্য একসঙ্গে স্ক্যান করতে এবং ইউরোপে তৈরি বিকল্প পণ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এর নির্ভুলতার হার ৯৫ শতাংশের বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। ডাউনলোডের পাশাপাশি এর ব্যবহারও তুঙ্গে। গত গ্রীষ্মে যেখানে দৈনিক মাত্র ৫০০ বার স্ক্যান করা হতো, সেখানে ২৩ জানুয়ারি একদিনেই প্রায় ৪০ হাজার পণ্য স্ক্যান করা হয়। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার পণ্য স্ক্যান করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…