ওয়াশিংটনের হুমকি উপেক্ষা করে পারমাণবিক কর্মসূচিতে অটল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকি সত্ত্বেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পথ থেকে সরে আসবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ওমানে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাত্র দুই দিন পর তেহরানে এক ফোরামে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
আরাগচি জানান, শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির অধিকার নিয়ে কোনো আপস করবে না তেহরান। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর সামরিক উপস্থিতি বা যুদ্ধের হুমকি ইরানের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তির ভয় দেখিয়ে নতুন চুক্তি আদায়ের চেষ্টা করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশি শক্তির ইরানের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার নেই।

বিষয়টি আরও জটিল হয়েছে কারণ ইরান ইতিমধ্যে ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও তারা এই পথে অগ্রসর হচ্ছে। অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, পরমাণু ইস্যুর পাশাপাশি ব্যালেস্টিক মিসাইল ও মানবাধিকার বিষয়েও ইরানকে জবাবদিহি করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ারই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ওয়াশিংটনের হুমকি উপেক্ষা করে পারমাণবিক কর্মসূচিতে অটল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকি সত্ত্বেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পথ থেকে সরে আসবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ওমানে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাত্র দুই দিন পর তেহরানে এক ফোরামে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
আরাগচি জানান, শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির অধিকার নিয়ে কোনো আপস করবে না তেহরান। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর সামরিক উপস্থিতি বা যুদ্ধের হুমকি ইরানের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তির ভয় দেখিয়ে নতুন চুক্তি আদায়ের চেষ্টা করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশি শক্তির ইরানের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার নেই।

বিষয়টি আরও জটিল হয়েছে কারণ ইরান ইতিমধ্যে ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও তারা এই পথে অগ্রসর হচ্ছে। অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, পরমাণু ইস্যুর পাশাপাশি ব্যালেস্টিক মিসাইল ও মানবাধিকার বিষয়েও ইরানকে জবাবদিহি করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ারই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…