রকেট ও এআই এক সুতোয়: এক্সএআই কিনল স্পেসএক্স
প্রযুক্তি জগতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ইলন মাস্ক। তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স নিজেই অধিগ্রহণ করেছে তারই মালিকানাধীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই স্টার্টআপ এক্সএআইকে। এর ফলে স্পেসএক্স এখন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান বেসরকারি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। মাস্ক এক মেমোতে এই পদক্ষেপকে ‘উদ্ভাবনী ইঞ্জিন’ হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে রকেট প্রযুক্তি, মহাকাশভিত্তিক ইন্টারনেট এবং এআই—সবই এক ছাতার নিচে আসবে।
মাস্কের এই কৌশলগত পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপন করা, যা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি স্থাপনে মূল ভূমিকা পালন করবে। ২০২২ সালে এক্স (সাবেক টুইটার) থেকে যাত্রা শুরু করা এক্সএআইয়ের মূল পণ্য চ্যাটবট ‘গ্রোক’ ইতিমধ্যেই বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এরই মধ্যে টেসলা এক্সএআইয়ে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং টেসলার কারখানায় স্বয়ংক্রিয় রোবট নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা নিচ্ছেন মাস্ক।

বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এআই এবং মহাকাশ অবকাঠামোর বিশাল ব্যয় নির্বাহ করতে এবং শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি হিসেবেই এই একীভূতকরণ করা হয়েছে। পিচবুকের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক এমিলি ঝেং মনে করেন, বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হওয়ার জন্য মাস্ক এই ‘সুপার কোম্পানি’ গড়ে তুলছেন। এর ফলে মাস্কের অধীনস্থ প্রায় সব বড় প্রতিষ্ঠান একটি অন্যটির সাথে জড়িয়ে পড়ল, যা তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যকে আরও শক্তিশালী করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
রকেট ও এআই এক সুতোয়: এক্সএআই কিনল স্পেসএক্স
প্রযুক্তি জগতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ইলন মাস্ক। তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স নিজেই অধিগ্রহণ করেছে তারই মালিকানাধীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই স্টার্টআপ এক্সএআইকে। এর ফলে স্পেসএক্স এখন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান বেসরকারি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। মাস্ক এক মেমোতে এই পদক্ষেপকে ‘উদ্ভাবনী ইঞ্জিন’ হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে রকেট প্রযুক্তি, মহাকাশভিত্তিক ইন্টারনেট এবং এআই—সবই এক ছাতার নিচে আসবে।
মাস্কের এই কৌশলগত পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপন করা, যা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি স্থাপনে মূল ভূমিকা পালন করবে। ২০২২ সালে এক্স (সাবেক টুইটার) থেকে যাত্রা শুরু করা এক্সএআইয়ের মূল পণ্য চ্যাটবট ‘গ্রোক’ ইতিমধ্যেই বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এরই মধ্যে টেসলা এক্সএআইয়ে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং টেসলার কারখানায় স্বয়ংক্রিয় রোবট নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা নিচ্ছেন মাস্ক।

বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এআই এবং মহাকাশ অবকাঠামোর বিশাল ব্যয় নির্বাহ করতে এবং শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি হিসেবেই এই একীভূতকরণ করা হয়েছে। পিচবুকের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক এমিলি ঝেং মনে করেন, বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হওয়ার জন্য মাস্ক এই ‘সুপার কোম্পানি’ গড়ে তুলছেন। এর ফলে মাস্কের অধীনস্থ প্রায় সব বড় প্রতিষ্ঠান একটি অন্যটির সাথে জড়িয়ে পড়ল, যা তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যকে আরও শক্তিশালী করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…