যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি উপেক্ষা করেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করবে ইরান
ওমানে মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠকের মাত্র দুই দিন পর তেহরানে এক ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড চাপ উপেক্ষা করেই তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পথে এগিয়ে যাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিদেশি কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করবে না তেহরান, কারণ কোনো রাষ্ট্রেরই অন্য দেশের স্বাধীন নীতি নির্ধারণের অধিকার নেই।
আরাগচি উল্লেখ করেন যে, ফার্সি উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর বর্ধিত উপস্থিতি বা সামরিক শক্তি প্রদর্শন ইরানকে ভীত করতে পারেনি। এমনকি যুদ্ধের ঝুঁকি থাকলেও তারা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসবে না। প্রসঙ্গত, গত বছর ইরান ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছিল, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির খুব কাছাকাছি বলে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) সতর্ক করেছিল।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক বল প্রয়োগের হুমকি দিয়ে ইরানকে নতুন চুক্তিতে আসতে বাধ্য করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, ইরানের সাথে কোনো আলোচনাই শুধুমাত্র পারমাণবিক ইস্যুতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ব্যালেস্টিক মিসাইল ও মানবাধিকার ইস্যুও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে বিশ্লেষকদের ধারণা, তেহরানের এই অনড় অবস্থান এবং ওয়াশিংটনের বহুমুখী দাবির কারণে দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি উপেক্ষা করেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করবে ইরান
ওমানে মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠকের মাত্র দুই দিন পর তেহরানে এক ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড চাপ উপেক্ষা করেই তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পথে এগিয়ে যাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিদেশি কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করবে না তেহরান, কারণ কোনো রাষ্ট্রেরই অন্য দেশের স্বাধীন নীতি নির্ধারণের অধিকার নেই।
আরাগচি উল্লেখ করেন যে, ফার্সি উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর বর্ধিত উপস্থিতি বা সামরিক শক্তি প্রদর্শন ইরানকে ভীত করতে পারেনি। এমনকি যুদ্ধের ঝুঁকি থাকলেও তারা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসবে না। প্রসঙ্গত, গত বছর ইরান ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছিল, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির খুব কাছাকাছি বলে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) সতর্ক করেছিল।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক বল প্রয়োগের হুমকি দিয়ে ইরানকে নতুন চুক্তিতে আসতে বাধ্য করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, ইরানের সাথে কোনো আলোচনাই শুধুমাত্র পারমাণবিক ইস্যুতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ব্যালেস্টিক মিসাইল ও মানবাধিকার ইস্যুও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে বিশ্লেষকদের ধারণা, তেহরানের এই অনড় অবস্থান এবং ওয়াশিংটনের বহুমুখী দাবির কারণে দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…