লন্ডনের আড্ডায় বাংলাদেশের ভোট নিয়ে আলোচনা, প্রবাসীদের তৎপরতা
লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল রোডের ক্যাফেগুলোতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন। সেখানকার বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় দেখা গেছে, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার প্রবাসীদের মধ্যে ভোট নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। ব্যারিস্টার ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী খালেদ নূর জানিয়েছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সবাই এ নিয়েই কথা বলছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা রীতিমতো আলোচনায় মুখর।
শেখ হাসিনার পতনের পর এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম নির্বাচন, যেখানে প্রায় দুই দশক পর প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন ও বিরোধী দলের বর্জনের পর এবার ভোটারদের মনে নতুন আশা জাগছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এটি বিএনপির জন্য প্রথম নির্বাচন, যেখানে দলটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে মাঠে নামতে প্রস্তুত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শাসনামলে অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি তীব্র সমালোচনা ছিল কর্তৃত্ববাদ নিয়ে। এখন প্রবাসী ও দেশে থাকা সাধারণ মানুষ সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, দেশ কোন দিকে যায়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
লন্ডনের আড্ডায় বাংলাদেশের ভোট নিয়ে আলোচনা, প্রবাসীদের তৎপরতা
লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল রোডের ক্যাফেগুলোতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন। সেখানকার বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় দেখা গেছে, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার প্রবাসীদের মধ্যে ভোট নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। ব্যারিস্টার ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী খালেদ নূর জানিয়েছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই সবাই এ নিয়েই কথা বলছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা রীতিমতো আলোচনায় মুখর।
শেখ হাসিনার পতনের পর এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম নির্বাচন, যেখানে প্রায় দুই দশক পর প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন ও বিরোধী দলের বর্জনের পর এবার ভোটারদের মনে নতুন আশা জাগছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এটি বিএনপির জন্য প্রথম নির্বাচন, যেখানে দলটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে মাঠে নামতে প্রস্তুত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শাসনামলে অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি তীব্র সমালোচনা ছিল কর্তৃত্ববাদ নিয়ে। এখন প্রবাসী ও দেশে থাকা সাধারণ মানুষ সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, দেশ কোন দিকে যায়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…