ব্যক্তিগত চিকিৎসক নয়, সাজাপ্রাপ্ত বন্দির মতোই চিকিৎসা পেতে হবে ইমরানকে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পছন্দের ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে রাওয়ালপিন্ডির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি)। আদিয়ালা জেলে বন্দি অবস্থায় পিটিআই প্রধানের এই আবেদনের বিরোধিতা করে আদালত জানিয়েছে, তিনি যেহেতু একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তাই তাকে সাধারণ বন্দির নিয়ম অনুযায়ীই চিকিৎসা সেবা নিতে হবে। শনিবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত প্রদান করে।
আইনজীবী ফয়সাল মালিকের মাধ্যমে ইমরান খান যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি নওয়াজ শরিফের মতোই উন্নত চিকিৎসার অধিকারী। আদিয়ালা জেলে চোখের চিকিৎসার অপ্রতুলতার কথা তুলে ধরে তার আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, কেন তাকে গভীর রাতে পরিবারকে না জানিয়েই পিমস হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। অপরদিকে, বিশেষ প্রসিকিউটর জহির শাহ জানান, ৯ মে’র মামলায় জামিন থাকলেও অন্যান্য মামলায় তিনি দণ্ডিত, তাই তাকে কেবল বিচারাধীন বন্দি হিসেবে গণ্য করা যাবে না। তিনি আরও জানান, জেল কোড অনুযায়ী সরকারি চিকিৎসক ছাড়া বন্দিদের অন্য কোনো চিকিৎসক দেখানোর সুযোগ নেই এবং আদালতের এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার এখতিয়ার নেই।
এর আগে পিমস হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্টে ইমরান খানের ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন (সিআরভিও) ধরা পড়ে এবং সেখানে তার চিকিৎসা সম্পন্ন হয়। জেল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ইমরান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবি বিধি অনুযায়ী সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। তবে ইমরানের বোন আলিমা খানমের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো পর্যন্ত মেডিকেল রিপোর্ট তাদের হাতে তুলে দেয়নি।

