কাদুনায় বন্দুকধারীদের তাণ্ডব: ইমামসহ অপহৃত ৫১, নিহত ৩
নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় কাদুনা রাজ্যে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের একাধিক হামলায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। গত তিন দিনে ওই অঞ্চলের চারটি গ্রামে জনবল প্রয়োগ করে একজন ইমামসহ অন্তত ৫১ জনকে অপহরণ করা হয়েছে। এই হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে।
ওই হামলার সূত্রপাত গত শনিবার, যখন কাজুরু এলাকার কাছে বন্দুকধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ওই ঘটনায় তিনজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি এক স্থানীয় ইমাম ও তার চার সহকারীসহ ৩৮ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার মারো গ্রামে হামলাকারীরা বহু বাড়িঘর ধ্বংস করে দেয়। এই দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলটি খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ট হওয়ায় গত জানুয়ারিতে এখানকার বেশ কিছু গির্জায় অভিযান চালিয়ে ১৮০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল।

এখন পর্যন্ত কোনো জঙ্গি গোষ্ঠী এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। লাগোসভিত্তিক নিরাপত্তা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসবিএম ইন্টেলিজেন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাইজেরিয়ায় অপহরণ এখন একটি সুশৃঙ্খল ও লাভজনক শিল্পে পরিণত হয়েছে। মুক্তিপণের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আয়ের লক্ষ্যেই সন্ত্রাসীরা এমন পরিকল্পিত অপরাধে জড়িত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
কাদুনায় বন্দুকধারীদের তাণ্ডব: ইমামসহ অপহৃত ৫১, নিহত ৩
নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় কাদুনা রাজ্যে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের একাধিক হামলায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। গত তিন দিনে ওই অঞ্চলের চারটি গ্রামে জনবল প্রয়োগ করে একজন ইমামসহ অন্তত ৫১ জনকে অপহরণ করা হয়েছে। এই হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে।
ওই হামলার সূত্রপাত গত শনিবার, যখন কাজুরু এলাকার কাছে বন্দুকধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ওই ঘটনায় তিনজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি এক স্থানীয় ইমাম ও তার চার সহকারীসহ ৩৮ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার মারো গ্রামে হামলাকারীরা বহু বাড়িঘর ধ্বংস করে দেয়। এই দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলটি খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ট হওয়ায় গত জানুয়ারিতে এখানকার বেশ কিছু গির্জায় অভিযান চালিয়ে ১৮০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল।

এখন পর্যন্ত কোনো জঙ্গি গোষ্ঠী এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। লাগোসভিত্তিক নিরাপত্তা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসবিএম ইন্টেলিজেন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাইজেরিয়ায় অপহরণ এখন একটি সুশৃঙ্খল ও লাভজনক শিল্পে পরিণত হয়েছে। মুক্তিপণের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আয়ের লক্ষ্যেই সন্ত্রাসীরা এমন পরিকল্পিত অপরাধে জড়িত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…