বাংলাদেশে নির্বাচনের পর্ব: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি-জামায়াতের লড়াই
শেখ হাসিনার পতনের ১৮ মাস পর বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। দুই দশক পর এটিই প্রথমবারের মতো একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট, যেখানে ১৭ কোটি মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশকে সামলে এই নির্বাচনের পথ দেখিয়েছে। যদিও নির্বাচনী সহিংসতার আশঙ্কা ছিল, তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
নির্বাচনী মাঠে মূলত পুরনো দুই প্রতিষ্ঠিত দলের মধ্যে লড়াই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপিকে এগিয়ে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামীও এবার বিপুল আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বৈরশাসনের অবসানের পরও নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকে। বিএনপির অতীতের দুর্নীতি এবং জামায়াতের মধ্যপন্থী চেহারার বাস্তবতা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

তবে ভবিষ্যতে পুরনো রাজনীতির ধারায় ফিরে গেলে বিদেশি সমর্থন কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নবনির্বাচিত সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অর্থনীতি। চলতি বছরই বাংলাদেশ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের মুখোমুখি, যার ফলে বাণিজ্য সুবিধা ও ঋণের সুযোগ কমে আসবে। জয়ী যেই হোক না কেন, অর্থনীতি সচল রাখা এবং সংস্কার ধরে রাখাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বাংলাদেশে নির্বাচনের পর্ব: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি-জামায়াতের লড়াই
শেখ হাসিনার পতনের ১৮ মাস পর বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। দুই দশক পর এটিই প্রথমবারের মতো একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট, যেখানে ১৭ কোটি মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশকে সামলে এই নির্বাচনের পথ দেখিয়েছে। যদিও নির্বাচনী সহিংসতার আশঙ্কা ছিল, তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
নির্বাচনী মাঠে মূলত পুরনো দুই প্রতিষ্ঠিত দলের মধ্যে লড়াই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপিকে এগিয়ে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, ইসলামপন্থি দল জামায়াতে ইসলামীও এবার বিপুল আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বৈরশাসনের অবসানের পরও নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকে। বিএনপির অতীতের দুর্নীতি এবং জামায়াতের মধ্যপন্থী চেহারার বাস্তবতা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

তবে ভবিষ্যতে পুরনো রাজনীতির ধারায় ফিরে গেলে বিদেশি সমর্থন কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নবনির্বাচিত সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অর্থনীতি। চলতি বছরই বাংলাদেশ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের মুখোমুখি, যার ফলে বাণিজ্য সুবিধা ও ঋণের সুযোগ কমে আসবে। জয়ী যেই হোক না কেন, অর্থনীতি সচল রাখা এবং সংস্কার ধরে রাখাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…