স্বাস্থ্য বিমা তহবিল লুটে চীনে ভুয়া মানসিক হাসপাতালের কারবার
বার্ধক্যমুখী সমাজ ব্যবস্থায় নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে চীনে গজিয়ে ওঠা ভুয়া মানসিক হাসপাতালগুলোর কর্মকাণ্ড। বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বাস্থ্য বিমার টাকা আত্মসাৎ করতে মাদকাসক্ত ও দরিদ্র প্রবীণদের ফাঁদে ফেলছে। হুবেই প্রদেশের শিয়াংইয়াং ও ইচাংয়ের মতো শহরগুলোতে এই অবৈধ ব্যবসার খোঁজ পাওয়া গেছে, যেখানে চিকিৎসার নামে রমরমা চলছে প্রতারণার।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একজন রোগীর জন্য দৈনিক প্রায় ১৪০ ইউয়ান খরচ দেখিয়ে সরকারি তহবিল থেকে বিপুল অর্থ তুলে নিচ্ছে এই হাসপাতালগুলো। এজন্য তারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা ও খাবারের লোভ দেখিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভর্তি করায়। তবে ভর্তির পর রোগীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়, এমনকি তাদের দিয়ে জোর করে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার কাজ করানো হয়। অনেককে বছরের পর বছর অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে।

এই ঘটনার মূলে রয়েছে দেশটির প্রবীণ পরিচর্যা ব্যবস্থার ব্যর্থতা। চীনে গ্রামীণ এলাকার বয়স্করা আর্থিকভাবে অসহায়, আর কাজের সন্ধানে তরুণ প্রজন্ম শহরে চলে যাওয়ায় গ্রামগুলো জনশূন্য হয়ে পড়েছে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এসব বৃদ্ধ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, যার সুযোগ নিচ্ছে এই প্রতারক চক্রগুলো। ফলে এটি কেবল আর্থিক দুর্নীতি নয়, বরং চীনের সামাজিক ব্যবস্থার গভীর মানবিক সংকটেরই প্রতিফলন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
স্বাস্থ্য বিমা তহবিল লুটে চীনে ভুয়া মানসিক হাসপাতালের কারবার
বার্ধক্যমুখী সমাজ ব্যবস্থায় নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে চীনে গজিয়ে ওঠা ভুয়া মানসিক হাসপাতালগুলোর কর্মকাণ্ড। বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বাস্থ্য বিমার টাকা আত্মসাৎ করতে মাদকাসক্ত ও দরিদ্র প্রবীণদের ফাঁদে ফেলছে। হুবেই প্রদেশের শিয়াংইয়াং ও ইচাংয়ের মতো শহরগুলোতে এই অবৈধ ব্যবসার খোঁজ পাওয়া গেছে, যেখানে চিকিৎসার নামে রমরমা চলছে প্রতারণার।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একজন রোগীর জন্য দৈনিক প্রায় ১৪০ ইউয়ান খরচ দেখিয়ে সরকারি তহবিল থেকে বিপুল অর্থ তুলে নিচ্ছে এই হাসপাতালগুলো। এজন্য তারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা ও খাবারের লোভ দেখিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভর্তি করায়। তবে ভর্তির পর রোগীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়, এমনকি তাদের দিয়ে জোর করে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার কাজ করানো হয়। অনেককে বছরের পর বছর অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে।

এই ঘটনার মূলে রয়েছে দেশটির প্রবীণ পরিচর্যা ব্যবস্থার ব্যর্থতা। চীনে গ্রামীণ এলাকার বয়স্করা আর্থিকভাবে অসহায়, আর কাজের সন্ধানে তরুণ প্রজন্ম শহরে চলে যাওয়ায় গ্রামগুলো জনশূন্য হয়ে পড়েছে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এসব বৃদ্ধ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, যার সুযোগ নিচ্ছে এই প্রতারক চক্রগুলো। ফলে এটি কেবল আর্থিক দুর্নীতি নয়, বরং চীনের সামাজিক ব্যবস্থার গভীর মানবিক সংকটেরই প্রতিফলন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…